জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয় © টিডিসি
মানিকগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক এমপিসহ মোট নয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যাচাই-বাছাইয়ে অন্য ১৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়।
প্রার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে বাছাইপর্বে দাখিল করা ২৭ প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। অপরদিকে ১৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষিত হয়।
মানিকগঞ্জ-১ আসনে জনতার দলের মো. শাহজাহান খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আলী ব্যাপারীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষিত হয়। মনোনয়নপত্র বৈধ হয় ঘোষণা করা হয় বিএনপির এসএ জিন্নাহ কবীর, জামায়াতের ডা. আবু বকর সিদ্দিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোজাম্মেল হক তোজা, বাংলাদেশ মাইনোরিটি কমিউনিটির দিলিপ কুমার দাস, ইসলামী আন্দোলনের মো. খোরশেদ আলম, গণ অধিকার আন্দোলনের মো. ইলিয়াস হোসেন ও খেলাফত মজলিসের হেদায়েত উল্লাহর।
মানিকগঞ্জ-২ আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি এস এম আব্দুল মান্নান, স্বতন্ত্র আব্দুল আলী মোল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবিদুর রহমান খান রোমানের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষিত হয়। এখানে মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষিত হয় সাবেক এমপি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. সালাউদ্দিন ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলীর।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আতাউর রহমান আতা, এবি পার্টির মো. রফিকুল ইসলাম জনি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক হোসেন ও ড. রফিকুল ইসলাম খানের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষিত হয়।
এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম (রিতা), জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসাইন, জেপির আবুল বাশার বাদশা, বাংলাদেশ জাসদের মো. শাহজাহান আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল ইসলাম খান কামাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. সাঈদ নূর, জাতীয় পার্টির মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলস ও ইসলমী আন্দোলন বাংলাদেশের শামসুদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়।