জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, ফেনী © সংগৃহীত
ফেনী জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৯৯ জন শিক্ষক ঈদের পর যোগদান করবেন। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হলে তাদের জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পদায়ন করা হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফেনীর সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন আহাম্মদ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ফেনী জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকের ৯২টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায় ১৭টি, দাগনভূঞা উপজেলায় ১৬টি, সোনাগাজী উপজেলায় ৩১টি, ছাগলনাইয়া উপজেলায় ১৪টি, ফুলগাজী উপজেলায় ১২টি এবং পরশুরাম উপজেলায় ২টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে সোনাগাজীতে শূন্য পদ সবচেয়ে বেশি এবং পরশুরামে সবচেয়ে কম।
সূত্রে আরও জানা গেছে, নির্বাচিত প্রার্থীদের সিভিল সার্জনের কাছ থেকে স্বাস্থ্যগত সনদ ও ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন সংগ্রহ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যগত সনদে ‘নিয়োগযোগ্য নয়’ উল্লেখ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পাবেন না। এ ছাড়া গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য মূল সনদপত্রসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনও জমা দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর পুলিশ প্রতিবেদন সন্তোষজনক না হলে তাকে নিয়োগের জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা হবে।
ফেনীর সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন আহাম্মদ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় ৬ হাজার ৫৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯৯ জন উত্তীর্ণ হন। পরে মৌখিক পরীক্ষা শেষে তাদের মধ্য থেকে ৯৯ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হলে তাদের বিভিন্ন উপজেলায় পদায়ন করা হবে।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি ফেনীর ১০টি কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ৬ হাজার ৫৭৪ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছিলেন মোট ৮ হাজার ৪২৯ জন, তবে ১ হাজার ৮৫৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন সঙ্গে আনার দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।