স্বাস্থ্য অধিদপ্তর লোগো © ফাইল ফটো
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা শেষ হয়েছে। রবিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১২টা থেকে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির সভাপতি ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. এ বি এম মাকসুদুল আলম, কমিটির সদস্য সচিব ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (স্বাস্থ্য শিক্ষা) ডা এ কে এম আহসান হাবীব উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে রবিবার বিকেলে ডা. এ কে এম আহসান হাবীব দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আজকে সব সরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক ছিল। বৈঠকে কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানা, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা, প্রশ্নপত্র যেন কেন্দ্রের বাইরে না আসতে পারে সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আজকের বৈঠকে পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকেও আমাদের কোনো নির্দেশনাও দেয়া হয়নি। আমরা যথা সময়ে পরীক্ষা আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী।
এদিকে চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এনায়েত হোসেন। রবিবার বিকেলে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
মহাপরিচালক বলেন, ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি করোনা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা যদি দেখে যে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২ এপ্রিল পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাহলে পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়া হবে। আর যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা আয়োজনের ব্যাপারে তারা নিশ্চিত থাকেন তাহলে যথা সময়েই ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। তবে আমরা পরীক্ষা আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী। পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণের সব কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারাদেশে আগামী ২ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে দেশব্যাপী মেডিকেল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা করোনা ভ্যাকসিন না দেয়া পর্যন্ত পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়েছে।
দেশে বর্তমানে সরকারিভাবে পরিচালিত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি। এগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৪ হাজার ৩৫০টি। এ বছর ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬১টি আবেদন জমা হয়েছে। আসনপ্রতি লড়বে ২৮ জন শিক্ষার্থী।