গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

‘এ’ ইউনিটের ফলে গরমিল বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিল কর্তৃপক্ষ

১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৯ PM , আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৭ PM
পরীক্ষার হল

পরীক্ষার হল © সংগৃহীত

বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলসংক্রান্ত প্রতিবেদনে পরিসংখ্যানগত অসঙ্গতির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি বিস্তারিত ও প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছে, যেখানে তথ্যসংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং চূড়ান্ত ফলাফল প্রণয়নের প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি  ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর অন্যান্য ইউনিটের মতোই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আনুমানিক হার নির্ধারণের লক্ষ্যে ২১টি কেন্দ্রের অসংখ্য পরীক্ষাকক্ষ থেকে উপস্থিতি-অনুপস্থিতির খসড়া তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই তথ্য মূলত হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিফোনের মাধ্যমে মৌখিকভাবে প্রাপ্ত হওয়ায় তা ছিল একটি প্রাথমিক সামারি, যার ভিত্তিতে উপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ধরা হয়েছিল ১,২৫,৮৮৫ জন। তবে এই পরিসংখ্যানটি চূড়ান্ত নয়, বরং একটি অন্তর্বর্তীকালীন ধারণা মাত্র।

পরবর্তীতে প্রতিটি কেন্দ্র থেকে সংগৃহীত ওএমআর শিট, অ্যাটেনডেন্স শিট এবং সামারি শিট যথাযথভাবে যাচাই ও সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত পরিসংখ্যান নির্ধারণ করা হয়। এই পূর্ণাঙ্গ যাচাই-বাছাই শেষে উপস্থিত পরীক্ষার্থীর চূড়ান্ত সংখ্যা দাঁড়ায় ১,২৫,৯৩৮ জন। অর্থাৎ, পূর্বে প্রচারিত তথ্য ও চূড়ান্ত ফলাফলের মধ্যে সামান্য পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক এবং এটি তথ্যসংগ্রহের ধাপভিত্তিক প্রক্রিয়ার ফল।

কর্তৃপক্ষ আরও উল্লেখ করে, ফলাফল প্রস্তুতের সময় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি ও তার ওএমআর শিট পৃথকভাবে মিলিয়ে দেখা হয়। ফলে চূড়ান্ত রেজাল্ট শিটে উল্লিখিত উপস্থিতি-অনুপস্থিতি এবং উত্তীর্ণ-অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংখ্যা শতভাগ নির্ভুলভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

পত্রিকাগুলোতে ১০ ফেব্রুয়ারির খসড়া পরিসংখ্যানকে চূড়ান্ত হিসেবে উপস্থাপন করে ৫৩ জন শিক্ষার্থীকে ‘উপস্থিত’ দেখানোর অভিযোগকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘ভিত্তিহীন, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং নিন্দনীয়’ বলে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, চূড়ান্ত রেজাল্ট শিটকে ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করলে এ ধরনের দাবি করার কোনো সুযোগ নেই।

পাশাপাশি, পাসের হার নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রেজাল্ট শিটে পাসের হার ৩০ শতাংশ উল্লেখ থাকলেও প্রকৃত হার ছিল ৩০.২৪ শতাংশ। এক্সেল সফটওয়্যারের রাউন্ড ফাংশনের কারণে তা পূর্ণসংখ্যায় রূপান্তরিত হয়েছে, যা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে মোট ৩৮,০৮৮ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন—এই সংখ্যাটি সম্পূর্ণ নির্ভুল বলে জানানো হয়।

সবশেষে, পরিসংখ্যানগত গরমিল নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আরও বিস্তারিত যোগাযোগ করা যেত বলে তারা মনে করে। এতে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হতো এবং তথ্য উপস্থাপন আরও নির্ভুল ও দায়িত্বশীল হতো।  

ফার্মাসিস্টস ফোরাম নর্দান ইউনিভার্সিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনু…
  • ০৮ মে ২০২৬
অডিট অফিসার নিয়োগ দেবে মধুমতি ব্যাংক, কর্মস্থল ঢাকা
  • ০৮ মে ২০২৬
উরি র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরে বিশ্বে ২৩তম গাজীপুর ক…
  • ০৮ মে ২০২৬
‘২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কাজ চলছে’
  • ০৮ মে ২০২৬
সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ৯০, আবে…
  • ০৮ মে ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে পোস্টারিং করে সিনিয়রকে গালাগালি …
  • ০৮ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9