কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি ও নাতনিকে গ্রেপ্তার করল যুক্তরাষ্ট্র 

০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৭ PM , আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৯ PM
ইরানের প্রয়াত জেনালে কাসেম সোলেইমানি

ইরানের প্রয়াত জেনালে কাসেম সোলেইমানি © সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর প্রয়াত জেনারেল কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি এবং নাতনিকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এজেন্টরা । শনিবার (৪ এপ্রিল) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।  খবর আল জাজিরার

ইরানে চলমান যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের মধ্যেই এই গ্রেফতারের ঘটনা বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জানা গেছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই দুই নারীর স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি (পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি স্ট্যাটাস) বাতিল করার পর গত শুক্রবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে জানানো হয়েছে যে, গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুই নারীর নাম হামিদেহ সোলেইমানি আফশার এবং তার মেয়ে। তারা দুজনেই বর্তমানে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসের হেফাজতে রয়েছেন।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া সোলেইমানি আফশার বিরুদ্ধে মার্কিন সেনাকর্মীদের ওপর চালানো সামরিক হামলার ঘটনায় আনন্দ প্রকাশ, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রশংসা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বড় শয়তান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন বলে- অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্র। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনযাপন করার পাশাপাশি তিনি ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আইআরজিসির প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন জানিয়েছিলেন। প্রমাণ হিসেবে তার নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পোস্টগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে, মা ও মেয়েকে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও যোগ করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কোনোভাবেই আমাদের দেশকে এমন কোনো বিদেশী নাগরিকের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে দেবে না, যারা আমেরিকা বিরোধী সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বা শাসকগোষ্ঠীকে সমর্থন করে।

হামিদেহ সোলেইমানি আফশার এবং তার মেয়ের স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি (এলপিআর স্ট্যাটাস) বাতিলের পাশাপাশি আফশারের স্বামীরও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে সাবেক ইরানি কর্মকর্তা আলী লারিজানির মেয়ে ফাতেমেহ আরদেশির-লারিজানি এবং তার স্বামী সৈয়দ কালান্তর মোতামেদিরও আইনি মর্যাদা বাতিল করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের তথ্য অনুযায়ী, তারা দুজনই ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেছেন এবং তাদের ওপর স্থায়ী প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

হাঁচি-কাশিতে অতিষ্ঠ, আগের চেয়ে কেন বেশি হচ্ছে মৌসুমি অ্যালা…
  • ০৩ জুন ২০২৬
আজ সন্ধ্যার মধ্যে যে ৪ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
  • ০৩ জুন ২০২৬
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি আজ
  • ০৩ জুন ২০২৬
বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের আলোচনায় ৩ চ্যানেল, তালিকায় আ…
  • ০৩ জুন ২০২৬
সন্তানকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করতে ছোট থেকেই গড়তে হবে যে ৭ …
  • ০৩ জুন ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দিয়ে ভাইরাল, জানা গেল সেই ব্যক্…
  • ০৩ জুন ২০২৬