মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট © সংগৃহীত
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ‘আগামী কয়েক সপ্তাহের’ মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করছেন মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট। রবিবার (১৫ মার্চ) এবিসি-র ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই সংঘাত শেষ হওয়ার পর তেলের সরবরাহ আবার বাড়বে এবং জ্বালানি খরচ কমে আসবে। খবর গার্ডিয়ানের
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত বাজার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এবং মার্কিন ভোটারদের আশ্বস্ত করতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ প্রশাসনের এমন আশাবাদের ঠিক উল্টো সুর শোনা গেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কণ্ঠে। শনিবার এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এখনই যুদ্ধ বন্ধের কোনো চুক্তিতে যেতে প্রস্তুত নন। তেহরান যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনার ব্যাপারে আগ্রহী হলেও ট্রাম্প মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র আরও ভালো শর্ত আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবে।
এমনকি গত শুক্রবার খার্গ দ্বীপে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি স্থাপনায় হামলার পর ট্রাম্প কৌতুকের ছলে বলেন, মন চাইলে তিনি সেখানে আবারও বোমা মারতে পারেন।
ট্রাম্প তার অবস্থানে অনড় থেকে বলেছেন, ইরান চুক্তি করতে চাইলেও শর্তগুলো এখনো যথেষ্ট অনুকূল না হওয়ায় তিনি তাতে সায় দিচ্ছেন না। হরমুজ প্রণালির উত্তর দিকে ইরানি উপকূলে হামলা আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছেন তিনি, যাতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের পথ নিরাপদ করা যায়। প্রশাসনের এই দুই ধরনের পরস্পরবিরোধী বার্তা যুদ্ধ এবং বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি করেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ায় ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ দাম বিক্রি হচ্ছে তেল। বিশ্ব বাজারে ক্রুড অয়েল বিক্রি হচ্ছে প্রতি ব্যারেল ১১১ মার্কিন ডলারে। যার প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।