মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর এবং হরমুজ প্রণালিতে বিমানবাহী রণতরীসহ শক্তিশালী নৌবহর মোতায়েন করতে যাচ্ছে ফ্রান্স। খবর আল জাজিরার
সব মিলিয়ে ফ্রান্স এই অঞ্চলে আটটি যুদ্ধজাহাজ, একটি বিমানবাহী রণতরি গ্রুপ এবং দুটি হেলিকপ্টারবাহী জাহাজ মোতায়েন করবে। ম্যাক্রোঁ জানান, ‘বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সুরক্ষা দিতে এই নৌবহর শেষ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পর্যন্ত যেতে পারে।’
গত সপ্তাহে ইরানের ড্রোন হামলার শিকার হওয়া সাইপ্রাসে এক বক্তব্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘যখন সাইপ্রাস আক্রান্ত হয়, তখন পুরো ইউরোপ আক্রান্ত হয়।’
ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক একটি এসকর্ট মিশন বা সুরক্ষা অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা ইউরোপীয় এবং অ-ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর সাথে যৌথভাবে বাস্তবায়িত হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো সংঘাতের সবচেয়ে ভয়াবহ পর্যায় শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব কন্টেইনার, জাহাজ এবং ট্যাঙ্কারগুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়া, যাতে ধীরে ধীরে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা যায়।’
এদিকে যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ করবে ততক্ষণ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক হবে না বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধ অব্যাহত থাকা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয়।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং তার মিত্ররা এই নৌপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য একটি 'প্রতিরক্ষামূলক' মিশন বা অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন—আল জাজিরা অ্যারাবিকের এমন একটি পোস্টের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
লারিজানি বলেন, ‘অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জ্বালিয়ে দেওয়া আগুনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে কোনো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে হয় না।’