আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৯ AM , আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:২০ AM
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ট্রাম্প

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ট্রাম্প © সংগৃহীত

অবশেষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবারই (২২ জানুয়ারি) সংস্থাটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ প্রত্যাহার কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব আইনের লঙ্ঘন বলেও আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই এক নির্বাহী আদেশে ডব্লিউএইচও ছাড়ার নোটিশ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা ছাড়ার আগে এক বছরের নোটিশ দেওয়া এবং বকেয়া সব চাঁদা পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ২০২৪ ও ২০২৫ সালের প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া পরিশোধ করেনি।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, কোভিড-১৯ সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থতার কারণে ডব্লিউএইচও যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।

তিনি বলেন, ‘আমেরিকান জনগণ এই সংস্থাকে যথেষ্ট অর্থ দিয়েছে। ভবিষ্যতে ডব্লিউএইচওকে কোনো তহবিল, সহায়তা বা সম্পদ দেওয়া স্থগিত করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্ট প্রয়োগ করেছেন।’

তবে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়া দেশটির জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি পুরো বিশ্বের জন্যও ক্ষতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ডব্লিউএইচওতে ফিরে আসবে।

বৈশ্বিক স্বাস্থ্য আইন বিশেষজ্ঞ লরেন্স গোস্টিন মত দিয়েছেন, বকেয়া পরিশোধ না করে সংস্থা ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনের লঙ্ঘন। তবে তিনি মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসন সম্ভবত এর জন্য কোনো বড় আইনি পরিণতির মুখে পড়বে না।

ডব্লিউএইচও-এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্থান একটি বড় বাজেট সংকট তৈরি করেছে। সংস্থাটির মোট তহবিলের প্রায় ১৮ শতাংশই এত দিন যুক্তরাষ্ট্র দিয়ে এসেছে। ফলে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা দল অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে এবং বছরের মাঝামাঝি নাগাদ প্রায় এক-চতুর্থাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রত্যাহার বৈশ্বিক রোগ নজরদারি, প্রতিরোধ ও জরুরি স্বাস্থ্য প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিতে পারে। ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিজের জনস্বাস্থ্য কর্মসূচির প্রধান কেলি হেনিং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার যৌথ কাঠামোকে বিপদের মুখে ফেলতে পারে।

 

ইবিতে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় উপ-কমিটি গঠন 
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
পুলিশের ১০ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
বন্ধের ঝুঁকিতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিদ্যুৎ জরুরি অবস্…
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
বন্যায় স্থগিত হওয়া বাউবির এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
বিপুল পাঠকসমাগমে সমাপ্ত হলো তিন দিনব্যাপী ‘ডিআইইউ বইমেলা ২০…
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি ও লাইফ সায়েন্সেস ক্যারিয়ার …
  • ১১ আগস্ট ২০২৬