ধেয়ে আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ © সংগৃহীত
কুয়াশায় আচ্ছন্ন সারাদেশ, নেই সূর্যের দেখা। বৈরী আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত খেটে খাওয়া মানুষ। এর মাঝেই সাময়িক স্বস্তির খবর দিলেও শীত নিয়ে আবারও দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও ৬ জানুয়ারি সকাল থেকে দেশে আবার শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তীব্র শৈত্যপ্রবাহও দেখা দিতে পারে।
আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে ভারী কুয়াশায় দেশের অধিকাংশ অঞ্চল ঢেকে থাকলেও আজ দুপুরের দিকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে। ইতোমধ্যে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে কুয়াশা কেটে গেছে। সিলেট ও ময়মনসিংহের কিছু অংশেও কুয়াশা সরে গেছে। দুপুরের মধ্যে সার্বিকভাবে কুয়াশা কমে যাবে বলেও জানান তিনি। তবে তিনি বলেন, কুয়াশা এখনই পুরোপুরি বন্ধ হবে না, কয়েকদিন থাকবে।
আরও পড়ুন: আপনার এনআইডি দিয়ে কয়টি মোবাইল নিবন্ধিত, জানবেন যেভাবে
আগামী দিনের আবহাওয়ার প্রবণতা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ধীরে ধীরে বাড়বে। অর্থাৎ রাত ও দিনের তাপমাত্রা এই কয়েকদিন তুলনামূলকভাবে একটু বেশি থাকবে। তবে ৬ জানুয়ারি সকাল থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত আবার তাপমাত্রা কমতে পারে।
বর্তমান শৈত্যপ্রবাহ প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত তিনদিন ধরেই দেশে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। আজও সাতটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ রয়েছে। প্রথম দিন ৩১ ডিসেম্বর বরিশাল, খুলনা বিভাগসহ আরও কয়েকটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল, পরে তা কিছুটা কমেছে। আজও গতকালের তুলনায় কম এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। তবে ৬ থেকে ১২ জানুয়ারির মধ্যে আবার শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে এবং দু’একটি এলাকায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহও হতে পারে। গতবারের তুলনায় এবার শীত বেশি পড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া আজ মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিতও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।