ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী © সংগৃহীত
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের ২০ বছর এবং তাঁর স্ত্রী চুমকির ২১ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। প্রদীপের চেয়ে তার স্ত্রীর একবছরে বেশি সাজা হয়েছে।
আজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুনসি আবদুল মজিদ এই রায় ঘোষণা করেন।
প্রদীপের চেয়ে তাঁর স্ত্রী চুমকির সাজা বেশি হওয়ার বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক বলেন, প্রদীপ তিনটি ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁর স্ত্রী চুমকি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন চারটি ধারায়।
আরও পড়ুন: রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির নেতৃত্বে ছাত্রলীগ!
মাহমুদুল হক জানান, তিনটি ধারায় প্রদীপ ও চুমকি একই সাজা পেয়েছেন। সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ থেকে প্রদীপকে খালাস দিয়েছেন আদালত। কিন্তু তাঁর স্ত্রী চুমকি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এ কারণে প্রদীপের চেয়ে চুমকির ১ বছেরের সাজা বেশি হয়েছে এ ছাড়া তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারা
একটি ধারায় ৮ বছর, আরেকটি ধারায় ২ বছর ও অপর ধারায় তাঁদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে। সব কটি সাজা একসঙ্গে চলবে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে যে সম্পদের মালিক দুজন হয়েছেন, তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছে আদালত। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও দুদককে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের বাহারছড়া তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। এই হত্যা মামলায় প্রদীপসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।
ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। গত ৩১ জানুয়ারি এই রায় দেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত।