এবার মোসাদ্দেক-জুবায়েরদের মামলাও নেয়নি শাহবাগ থানা 

২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩২ PM
মামলা না নেওয়ায় শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাকসু নেতারা

মামলা না নেওয়ায় শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাকসু নেতারা © টিডিসি ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) মামলা নিতে গড়িমসির পর এবার ডাকসু নেতৃবৃন্দের মামলাও না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাহবাগ থানার বিরুদ্ধে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক আলি ইবনে মোহাম্মদ। 

গত বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা নিয়ে উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়ে ঢাবি ছাত্রদল ও ডাকসু নেতাদের মধ্যে। সেখানে একপর্যায়ে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দেককে মারধর করেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতারা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে হামলার ফুটেজসহ শাহবাগ থানায় মামলা করতে যান ডাকসু নেতারা। 

এসময় পুলিশ মামলা নিচ্ছে না উল্লেখ করে মোসাদ্দেক বলেন, ‘আমরা এসেছি মামলা করার জন্য। কিন্তু পুলিশ বলতেছে মামলা নিবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত আসবে ওপর থেকে সিদ্ধান্ত আসবে। এটা হাস্যকর।’

মামলা না নেওয়ার প্রসঙ্গে এবি জুবায়ের বলেন, ‘ অনেক মিডিয়া দেখছি এই ঘটনাকে ছাত্রদল শিবিরের মধ্যকার সংঘর্ষ হিসেবে ফ্রেমিং করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আমরা এখানে এসেছিলাম ডাকসুর প্রতিনিধি হিসেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র মামলা দিতে এসে আমাদের কাছ থেকে হেল্প চেয়েছেন তাই আমরা এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আছে কারা কারা হামলায় জড়িত ছিল। তারপরও পুলিশ মামলা নিচ্ছে না। আমরা পুলিশকে বলেছি থানার ভেতরে হামলা হয়েছে,ভাঙচুর হয়েছে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে কিনা? তখন এজন পুলিশ অফিসার হেসে বলছেন, কোথায় ভাঙচুর হয়েছে আমি জানি না। দেখেন কত অন্ধভাবে দলকানার পরিচয় দিচ্ছেন।... আমরা তাদের গ্রেফতারের দাবী জানাচ্ছি।’ 

এসময় মামলা দায়ের করতে যাওয়া প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক আরমানুল ইসলাম, ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হায়দার।  

এদিকে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ঢাবি সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘তারা দীর্ঘ সময় ধরে থানায় অবস্থান করলেও এখনো মামলা গ্রহণের কোনো অগ্রগতি হয়নি। ডিসির বক্তব্য অনুযায়ী মনে হচ্ছে পুলিশ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, হামলার শিকার হওয়ার পরও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে না পারা একটি উদ্বেগজনক বিষয়।’


উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার শাহবাগ থানায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাদের হামলার শিকার হন ডুজার সভাপতি ও কালের কণ্ঠের ঢাবি প্রতিনিধি মানজুর হোসাইন মাহি ও সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলামসহ অন্তত ১০ জন সাংবাদিক। 

সাত দাবিতে আজ থেকে লাগাতার আন্দোলনে নামছেন শিক্ষা ক্যাডাররা
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
২৬ খাতে পুরস্কার দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, আবেদন …
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী মুনিরা আর নেই
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
​ঘুম থেকে উঠেই ব্রাশ, নাকি নাশতার পর? জেনে নিন সঠিক সময়
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
ইরানে আজ হামলা হতে পারে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
একাদশে ভর্তির শেষ ধাপের আবেদন শুরু কাল, সুযোগ পাবেন যারা
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬