ডাকসুর সদস্য উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়া © ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষকদের মূল্যায়ন পদ্ধতির প্রবর্তন চেয়ে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে চিঠি দিয়েছেন ডাকসুর সদস্য উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়া। এতে ভিপি সাদিক কায়েমও স্বাক্ষর করেছেন। বিষয়টি অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল মিটিং ও সিন্ডিকেটে পাসের পাশাপাশি নীতিগতভাবে সবাই মত দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়া ফেসবুকে লিখেছেন, ডাকসুর সময় শিক্ষক মূল্যায়ন আমার ইশতেহারে ছিল। সাধারণত কাজ শেষের আগে ‘কাজ চলমান’ ধরনের আপডেট দিতে চাই না, কারণ আমার কাছে ব্যাপারটা খানিকটা পয়েন্টলেস লাগে। দ্যান এগেইন, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের কমেন্টে আমি জবাবদিহি করেছি। যেহেতু আমার দিক থেকে সকল কাজ সম্পন্ন তাই আপডেট দিচ্ছি।
তিনি বলেন, গত বছরের অক্টোবর থেকে এই নিয়ে আমি কাজ শুরু করি। আমি কোয়েশ্চেনিয়ার ও প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়ের মডেলগুলোসহ এই নিয়ে দরবার করেছি। আইসিটি সেল, রেজিস্টার বিল্ডিঙ, ভিসি অফিস, প্রো-ভিসি অফিস ইত্যাদিতে বিস্তর দৌড়াদৌড়ি আর চিঠি চালাচালি শেষে ভিসি স্যার গত বৃহস্পতিবার আমাকে আশ্বস্ত করেন যে, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল মিটিং ও সিন্ডিকেট মিটিংয়ে শিক্ষক মূল্যায়নের বিষয়টি পাস হয়েছে এবং নীতিগতভাবে সবাই মত দিয়েছেন।
বিজ্ঞান অনুষদের কিছু ডিপার্টমেন্টে (ল্যাব থাকার কারণে) কিছু পরিবর্তন আনতে হবে, যা নিয়ে কাজ চলছে জানিয়ে ডাকসুর এ নেতা বলেন, একই দিনে আমি প্রো-ভিসি (একাডেমিকস) মামুন স্যারের সাথে বসেছি। স্যার আমাকে জানিয়েছেন, বিষয়টি উনার সুপারভাইজিংয়ে আছে এবং এ নিয়ে যা প্রসেস করণীয়, তা তিনি করবেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে আলোচনায় ৫ শিক্ষকের নাম
তিনি বলেন, ‘আমি জানতে চেয়েছি আমার পক্ষ থেকে আর কোনো সাহায্য করতে পারি কিনা কাজটা দ্রুত তুলে আনার জন্য। স্যার আমাকে জানিয়েছেন, আমার আর কিছু এখানে করার নেই, তিনি বাকিটা দেখবেন। যোগ্য হাতে ব্যাপারটার দ্রুত বন্দোবস্ত হবে জেনে (যেহেতু পলিসিগত ও কারিগরি কোনো বাধাই আর নেই) আপডেটটা লিখছি।’
উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়া উল্লেখ করেন, ‘আরও মাস দুয়েক আগে থেকেই আইসিটি সেল কারিগরি সকল কাজ শেষ করেছে। আপাতত প্রতিটি ডিপার্টমেন্টের আইসিটি সেল কর্তৃক সেই ওয়েবসাইটটি আনলক করলেই মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা যাবে।’
তিনি বলেন, ‘মামুন স্যার আমাকে আশ্বস্ত করায় এবং এই পর্যায়ে ব্যাপারটি আর আমার হাতে না থাকায় আমি আশা করছি, স্যার খুব দ্রুতই বিশ্ববিদ্যালয়ে মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করবেন। প্রশাসনকে এ বিষয়ে পাঠানো আমার সর্বশেষ চিঠিটি সংযুক্ত করলাম।’