শাহরিয়ার আলম সাম্য © ফাইল ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় নতুন গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ। সোমবার (২৬ মে) ঢাকার মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামানের আদালত তাদের দুই দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।
ওই তিনজন হলেন- সোহাগ, হৃদয় ইসলাম ও রবিন। এদিন সুজন সরকার নামে আরেক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন একই বিচারক। এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অপরদিকে মো. রিপন নামে গ্রেপ্তার আরেক আসামি একই দিন ঢাকার মহানগর হাকিম মিনহাজুর রহমানের আদালতে দোষ ’স্বীকার করে’ জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শাহবাগ থানার আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে রবিবার (২৫ মে) সোহাগ, হৃদয়, রবিন ও রিপনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর একই দিন সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বংশাল থানার আগামাসী লেন এলাকা থেকে। এ নিয়ে মামলাটিতে মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে গত ১৩ মে দিবাগত রাতে ঢাকার গ্রিনরোড ও রাজাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. তামিম হাওলাদার (৩০), পলাশ সরদার (৩০) ও সম্রাট মল্লিককে (২৮) গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পরের দিন ১৪ মে তাদের কারাগার পাঠানো হয়। ১৭ মে তাদের ৬ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। ২৩ মে ফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
গত ১৩ মে রাত ১১টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে আহত হন শাহরিয়ার আলম সাম্য। রাত ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক ঘোষণা করেন।
সাম্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি এ এফ রহমান হল ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায়।
ঘটনার রাতেই রাজধানীর রাজাবাজারসহ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।