বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক স্থাপনে কাজ করছে ইউজিসি: ড. মামুন

১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৬ PM
`বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প সহযোগিতা: উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন

`বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প সহযোগিতা: উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন © সংগৃহীত

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।  এ লক্ষ্যে ইউজিসি ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরে সার্বিক সমন্বয় করছে বলে জানান ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।

১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত `বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প সহযোগিতা: উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউজিসি সদস্য ড. মামুন বলেন, দেশের শিল্পখাতের সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষার্থীকে বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনার কাজ করছে ইউজিসি। বিশ্ববাজারের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ইউজিসি শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে এবং তৃতীয় ভাষা শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার (ভাষা কেন্দ্র) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে ইউজিসির চারটি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন অধ্যাপক মামুন। তিনি বলেন, প্রথমত ইউজিসি উচ্চশিক্ষার কারিকুলাম রিভিউ ও হালনাগাদে শিল্পখাতকে যুক্ত করার কাজ করছে । দ্বিতীয়ত, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও প্লেসমেন্টের সুযোগ তৈরিতে কাজ করছে। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ ফলাফল শিল্পখাতে প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চতুর্থত, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন ও নতুন প্রযুক্তিকে শিল্পখাতের উন্নয়নে যুক্ত করার কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্টার্টআপ খাতে ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতি খাতে ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এসব অর্থায়নের একটি অংশ প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবননির্ভর উদ্যোগে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো গেলে তরুণদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পখাত ও সরকারের মধ্যে সমন্বিত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ে যে জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবন তৈরি হচ্ছে, তা শিল্পখাতের বাস্তব উন্নয়নে কাজে লাগানোর পাশাপাশি শিল্পখাতের চাহিদা ও অভিজ্ঞতাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় যুক্ত করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর মেলবন্ধন তৈরি হবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুন রশিদ খান এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নুরুন্নবী। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চারটি প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।  

শিক্ষকদের সিকিউরিটি-মর্যাদা-সচ্ছলতার একটাই রাস্তা জাতীয়করণ
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রথমবারের মতো ট্রান্সপোর্ট পার্টনার পেল বিসিবি
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সরকারি হচ্ছে রাজধানীর এক কলেজ
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
পূজার ছুটিতে যবিপ্রবির বিশেষ পরিবহন সেবা, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার…
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকায় বসছে ৪ জাতি নারী হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬