হাসতে হাসতে ইংরেজি শেখানো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খালিদের ফলোয়ার এখন ১ মিলিয়ন

১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ PM
ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী কনটেন্ট ক্রিয়েটর খালিদ

ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী কনটেন্ট ক্রিয়েটর খালিদ © টিডিসি সম্পাদিত

হাসতে হাসতে মজার ছলে ইংরেজি শেখানোর ভিডিও তৈরি করেন খালিদ। পরে সেগুলো ফেসবুক-ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের পেজে পোস্ট করেন তিনি। ক্রমেই সেগুলো গ্রহণ করতে শুরু করেছিলেন তরুণরা। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়। সমান জনপ্রিয়তা পায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও।

সাড়ে তিন বছর আগে শুরুর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক শিক্ষার্থী খালিদের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। তার ‘খালিদ স্পিকস’ নামের পেজটি এখন ফলো করেন ১০ লাখ বা এক মিলিয়নের বেশি মানুষ। এমন একটি অর্জনের পর নিজের এই পর্যায়ে আসার গল্পও নিজের পেজে শেয়ার করেছেন তিনি।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে খালিদ লিখেছেন, ‘১ মিলিয়ন মানুষ আমাকে ফেসবুকে ফলো করছে, ব্যাপারটা অদ্ভুত কিন্তু সুন্দর! মাঝেমধ্যে মনে হয়, আমি কি এত সম্মান, ভালোবাসার যোগ্য! হয়তো না। সত্যি বলতে আমাকে যখন ১ লাখ (100k) মানুষ ফলো করেছিল, তখনকার আনন্দ ছিল ভীষণ রকম আলাদা, ঠিক যেমন যৌবনের প্রথম জমানো টাকা দিয়ে শখ পূরণ করার মতো।’

তিনি বলেন, শুরু হয়েছিল আরো সাড়ে তিনবছর আগে যখন মনে হয়েছিল, একটু শেয়ার করি যতটুকু জানি। আর জানাতে গিয়ে অনেককিছু শিখতেও পারব। সেখান থেকে শুরু আর এখন দেখছি জার্নিটা মন্দ না। মেইনস্ট্রিম মিডিয়া থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ যেভাবে আপন করে নিয়েছে, এটা সু-সুন্দর। হয়তো আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের বাসায় গিয়ে একবেলা করে খেলেও জীবন পার হয়ে যাবে।’

‘আমার সন্তান এলো লিয়ানা মারিয়াম খান ৬৮ দিন হলো, আল্লাহ পাক ভালো রেখেছেন, ২৪ এ বিয়ে করেছি, এখন ২৮। আমাদের ৮ বছরের সম্পর্ক পরিপূর্ণতা পেয়েছে, কমিটমেন্ট ছিল-পালন করেছি, কৃতজ্ঞতা আমার স্ত্রী ফারিহাকে, একসময় ক্যামেরা ধরতে গিয়ে ৬৭ ইঞ্চি উচ্চতার মেয়েটির ঘাড়-হাত সব ব্যাথা হয়ে গিয়েছিল! কিন্তু ওই যে আমার কনভিন্সিং স্কিলটা ভালো নাহলে অর্ধ-কালো সমান উচ্চতার একজন অস্থিতিশীল ছেলেকে কেইবা বিবাহ করিতে চাহে। নাম কল্যাণী না হইলেও মেয়েটি ঢের কল্যাণকর। আর হ্যাঁ, আল্লাহ পাক বিয়েকে সহজ করুন, বস্তুত আল্লাহ সহজই করেছেন কঠিন করেছে সমস্যাজ (পড়ুন সমাজ)’, যোগ করেন তিনি।

আরও খবর: চীনের সঙ্গে কারিগরি শিক্ষক ও শিক্ষা বিনিময়সহ ৯ বিষয় নিয়ে আলোচনা

খালিদ বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইনে সুযোগ পেয়েছিলাম, আব্বার ইচ্ছা ছেলে বিচারক হবে কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাবার পরে বলেছিলাম আমি ফরেন ক্যাডার হব ইনশাআল্লাহ এবং এই বলে ঢাবিতে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু এখন আব্বা-আম্মা-মামা মাঝেমধ্যেই আমাকে প্রতারক (অভিমান) বলে.. আমি চুপ থাকি..কারণ তাদের কথা কিঞ্চিৎ সত্যি।’

তিনি বলেন, ‘আব্বা-আম্মার প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা যারা আমাকে দুনিয়ায় এনেছেন, মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে শিখিয়েছেন যেখানে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই আমরা অকৃতজ্ঞ এবং আর্থিকভাবে অসৎ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার অন্যতম অনুপ্রেরণা আমার ছোট বোন নুহা (This is Nuha) যে ৬ বছর ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছে। নুহা যদি হাল না ছাড়ে আমি কেন ছাড়ব, একই গর্ভ থেকে এসেছিলাম তো! ধন্যবাদ সব শুভাকাঙ্ক্ষীদের, দোয়া করবেন যেন হাসতে হাসতে ইংরেজি শিখিয়ে যেতে পারি, আর খারাপকে খারাপ বলতে পারি।’

গাজীপুরের পূবাইলে বিল থেকে স্কুল ড্রেস পরা কিশোরীর মরদেহ উদ…
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে যশোরে লিফলেট বি…
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
বৃত্তি পাচ্ছেন ৭০ লাখ ছাত্রী, বরাদ্দ ৪ হাজার কোটি টাকা
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বে নতুনদের ঠাঁই নেই, কেউ ৩৫ বছর, কেউ…
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
চলে গেলেন ঢাবি-জবি-ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ প…
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ডিয়ার মাছরাঙ্গা টেলিভিশন—এবার মুখ খুললেন পরীমনি
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬