নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা করে স্থায়ী বহিষ্কার হলেন ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা

১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৬ AM
বহিষ্কৃত ছাত্রশক্তি নেতা ও সংগঠনের লোগো

বহিষ্কৃত ছাত্রশক্তি নেতা ও সংগঠনের লোগো © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সংগঠনের নেতা নির্বাচনের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করে সংগঠনের নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হয়েছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় এক নেতা। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাতে ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃত নেতার নাম ইমরান নাজির। তিনি জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন। তিনি ইতোপূর্বে বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা কলেজের সম্বন্বয়ক ছিলেন। ফেসবুকে সমালোচনা করায় এর আগে তাকে সংগঠনটির পক্ষ থেকে শোকজ করা হয়।

বহিষ্কারের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় ছাত্রশক্তি, গঠনতন্ত্রের ধারা ৬.৪.৭ অনুযায়ী সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতিমালা ও নির্দেশনার অমান্য করায় কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান নাজিরকে ধারা ৬.৬.৪ মোতাবেক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের নির্দেশক্রমে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।

জানা যায়, ‘ঢাবি কোরাম’-এর সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ার কারণে সংশ্লিষ্ট নেতাকে প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই সমালোচনার জের ধরেই তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

আরও পড়ুন: শিক্ষক রোমান শুভর বিরুদ্ধে চাকসুর মামলা নেননি ওসি, দায় চাপালেন ভিসির ওপর

বহিষ্কৃত নেতা ইমরান নাজির ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন “ছাত্রশক্তি গঠনের লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন তৈরি করা। তবে শুরু থেকেই ঢাবি-কেন্দ্রিক কোরাম, একচেটিয়া নেতৃত্ব ও সমালোচনা দমনের সংস্কৃতি সেই লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে। যোগ্যতার পরিবর্তে ঢাবিয়ান পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া এবং শীর্ষ নেতাদের কর্পোরেট বসসুলভ আচরণ, ফান্ডিং ও কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে উদাসীনতা সংগঠনের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে”

এদিকে, বহিষ্কারের ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বহিষ্কারের বিষয়ে ইমরান নাজির বলেন, জাতীয় ছাত্রশক্তির ভিতরে চলমান ঢাবি কোরামের অপরাজনীতি ও একপাক্ষিক আচরণ নিয়ে আমি গঠনমূলক সমালোচনা করি। এর জেরে সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাকে একটি অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করি যে, আমার বক্তব্যে আমি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করিনি, কটু ভাষা ব্যবহার করিনি কিংবা কারো চরিত্রহানির চেষ্টা করিনি। আমার পোস্টে এমন কোনো অভিযোগ ভিত্তিহীন। বাস্তবে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর অহংকার, গোড়ামি ও ঢাবি কমিটি কেন্দ্রিক সিন্ডিকেটের সমালোচনা করাই যেন আমার ‘অপরাধ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছাত্রশক্তিতে নৈতিকতার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। 

তিনি আরও বলেন, এই অবস্থায় গতকাল ন্যায়সঙ্গত ব্যাখ্যা ছাড়াই আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নতুন বাংলাদেশ ও ইতিবাচক ছাত্র রাজনীতির স্বপ্ন নিয়ে আমরা রাজনীতিতে এসেছিলাম; কিন্তু সমালোচনার কারণে অন্যায়ভাবে বহিষ্কার হলে তা শুধু আমার নয়, সমগ্র ছাত্র রাজনীতির ভবিষ্যতের জন্যই উদ্বেগজনক। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আমার মতপ্রকাশ ও ন্যায়বিচারের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থি।

ফুটবল খেলায় অতিথি না করায় ১৪৪ ধারার ‘মাইকিং’, ছাত্রদল নেতাক…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ৫০০ শয্যার, ১৫ তলা ভবন নির্মাণ…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
নবীনদের স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাবির ফজলুল হক হলের ভিপি, সমাজসেবা সম্পাদক ও ভুক্তভোগী শিক্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্ত…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬