ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী © টিডিসি ফটো
ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, আমি মাত্র ভোট দিয়েছি। ভোট কেন্দ্রের ভেতরে ও বাহিরে পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্রীয় প্রশাসন যদি এই পরিবেশ ধরে রাখে তাহলে ভোট সুষ্ঠু হবে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় জকসু নির্বাচনে নিজের ভোট প্রদান শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা যেসব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাতে পারিনি তারা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবে।। অন্যান্য ক্যাম্পাসে যেমন শিবিরের প্রতি সমর্থন দিয়েছে, জগন্নাথের শিক্ষার্থীরাও আশা করি তেমন সমর্থন দিবে। আমরা বিজয়ী হলে সবাই একসাথে নতুন ক্যাম্পাস গড়ব, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শিক্ষার্থীরা ভোট দেওয়ার জন্য ক্যাম্পাসে আসতে শুরু করে। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভোটাররা লাইন দাঁড়ায়। ৯টার কাছাকাছি সময়ে প্রতিটি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় আর দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।
জকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একধরনের উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। ভোট দিতে এসে কেউ বিরক্ত হননি। শিক্ষার্থীরা একে অপরকে একসঙ্গে পেয়ে জড়িয়ে ধরে উল্লাস করেন। তাদের অনেককে গ্রুপ ছবিও তুলতে দেখা যায়। মেয়েদের কেউ কেউ শাড়ি পরে ভোট দিতে আসেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, জকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৪৫ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৮ হাজার ৪৭৯ জন এবং পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ১৭০ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদের বিপরীতে মোট ১৫৭ জন এবং হল সংসদের ১৩টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৩ জনসহ কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট প্রার্থী ১৮৭ জন। নির্বাচনে মোট ৩৯টি ভোটকেন্দ্র ও ১৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে।
এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ক্যাম্পাসে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে রয়েছেন। বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটার শিক্ষার্থীরা কেবল ১ নম্বর গেট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন এবং ভোট শেষে ২ ও ৩ নম্বর গেট দিয়ে বের হতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২ নম্বর গেট ব্যবহার করতে হবে এবং আইডি কার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।