দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নরসিংদীর শিবপুরের লাখপুরে। ধর্ষিত শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার সন্ধ্যার দিকে পাশের বাড়ির ইমন বর্মন (১৮) নামের এক বখাটে শিশুটিকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পরিবারের।
শিশুটিকে রাতেই চিকিৎসার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। অতিরিক্ত রক্তপাতের জন্য শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
শিশুটির পরিবার জানায়, শিশুটি বিকেলে বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। সন্ধ্যার আগমুহূর্তে পার্শ্ববর্তী বাড়ির বীরেন্দ্র বর্মনের বখাটে ছেলে ইমন বর্মন শিশুটিকে মুখ চেপে ধরে ছেলের বাড়ির কোনও এক ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় শিশুটি চিৎকার করতে থাকলে তাকে ছেড়ে দেয়। কাউকে কিছু না বলার জন্য শিশুটিকে হুমকি দেয় এবং কিছু বললে মেরে ফেলবে বলেও হুমকি দেয়।
সন্ধ্যার পর শিশুটির মা বাড়িতে ফিরলে মেয়েকে কান্নারত রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রথম অবস্থায় কিছু স্বীকার না করলেও পরবর্তীতে সবকিছু খুলে বলে। পরে শিশুটিকে নিয়ে তার পরিবার রাতেই নরসিংদী সদর হাসপাতালে আসে। অতিরিক্ত রক্তপাতের কারণে শিশুটির অবস্থা গুরুতর হওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. গোলাম সোহরাব হোসেন প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
সাত বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত শিবপুর মডেল থানায় কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি। এদিকে ধর্ষক ইমনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শিশুর পরিবার।