মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর © টিডিসি সম্পাদিত
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় বিভিন্ন মাদ্রাসায় ডিজির প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির মাধ্যমে পাঁচ মাসে প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ওই সব মাদ্রাসার সুপার ও প্রিন্সিপালকে আগামী ২৩ এপ্রিল মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে তদন্ত কমিটির শুনানিতে অংশ নিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মজুমদারকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞিপ্তিতে বলা হয় তদন্তের অংশ হিসেবে বড়ঘাটগমীর উদ্দিন মাদ্রাসা, সিরাজদিখান দাখিল মাদ্রাসা, বুড়িরহাট আব্দুস সাত্তার মন্ডল দাখিল মাদ্রাসা, কানুরাম সিদ্দীকীয়া দাখিল মাদ্রাসা ও পান্থাপারা দাখিল মাদ্রাসার সুপারদের এবং ডাংরারহাট আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা, সুকদেব ফাজিল মাদ্রাসা ও রাজমাল্লীরহাট ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপালদের তলব করা হয়েছে। তাদেরকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সকল নিয়োগ সংক্রান্ত নথিপত্রসহ হাজির হতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকেও প্রয়োজনীয় তথ্যসহ উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, আগামী ২৩ এপ্রিল মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে এই বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট সকলের বক্তব্য গ্রহণ এবং দাখিলকৃত নথিপত্র যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।