বিদেশে উচ্চশিক্ষা

অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের আগে করণীয়

০১ জুন ২০২৬, ০২:৪৩ PM
অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসা পেতে যেসব শর্ত বা প্রস্তুতি দরকার জেনে নিন

অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসা পেতে যেসব শর্ত বা প্রস্তুতি দরকার জেনে নিন © সংগৃহীত

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণার সুযোগ ও বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশের কারণে প্রতিবছর হাজারো শিক্ষার্থী দেশটিতে পড়াশোনার জন্য আবেদন করে থাকে। তবে অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসা পেতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ ও প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়। ভর্তি নিশ্চিতকরণ থেকে শুরু করে আর্থিক সক্ষমতা, স্বাস্থ্যবিমা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সবকিছুই ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আজ আমরা অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করার আগে যেসব বিষয় জানা ও প্রস্তুত রাখা জরুরি সেগুলো সম্পর্কে জানব।

১. অফার লেটার

কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন সফল হলে শিক্ষার্থী একটি ‘লেটার অব অফার’ পায়। এতে কোর্সের বিস্তারিত তথ্য, ভর্তি শর্ত ও টিউশন ফি উল্লেখ থাকে। অফার গ্রহণের আগে শর্তগুলো ভালোভাবে পড়ে বোঝা জরুরি। বিশেষ করে রিফান্ড নীতিমালা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।

২. ভর্তি নিশ্চিতকরণ সনদ

অফার লেটার গ্রহণ ও নির্ধারিত অর্থ জমা দেওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীকে ভর্তি নিশ্চিতকরণ সনদ (কনফারমেশন অব এনরোলমেন্ট–সিওই) প্রদান করে। এটি প্রমাণ করে যে শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট কোর্সে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি হয়েছে। শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনের সময় এই নথি বাধ্যতামূলক।

আরও পড়ুন: জেনে নিন বিশ্বসেরা ১০ ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ সম্পর্কে

৩. ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণ

অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পাঠদান ইংরেজিতে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অনুমোদিত ইংরেজি ভাষা পরীক্ষার ফল জমা দিতে হয়। সাধারণত আইইএলটিএস, টোয়েফল বা পিটিইর মতো পরীক্ষার স্কোর গ্রহণযোগ্য।

৪. শিক্ষার্থী হিসেবে প্রকৃত উদ্দেশ্যের প্রমাণ

শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনপত্রে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে চাওয়ার কারণ, তাদের জন্য কোর্সের কার্যকারিতা ও নিজ দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়। অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ এসব তথ্যের ভিত্তিতে আবেদনকারীর প্রকৃত শিক্ষার্থী হওয়ার বিষয়টি যাচাই করে।

৫. আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ

ভিসা পেতে আবেদনকারীকে দেখাতে হবে যে তিনি পড়াশোনা ও জীবনযাপনের খরচ বহন করতে সক্ষম। বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম ২৯ হাজার ৭১০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা ২৬ লাখ ৪ হাজার টাকার সমপরিমাণ আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হয়। এর মধ্যে টিউশন ফি, ভ্রমণ ও বাসস্থানের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত।

আরও পড়ুন: এক আবেদনেই ইউরোপ সফর: শেনজেন ভিসার আদ্যোপান্ত

৬. স্বাস্থ্যবিমা

অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানের পুরো সময়ের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ‘ওভারসিজ স্টুডেন্ট হেলথ কভার’ নিতে হয়। এই বিমা ছাড়া স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে।

৭. স্বাস্থ্য ও চরিত্র যাচাই

স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদনকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা দিতে হতে পারে। একই সঙ্গে অতীত আচরণ ও অপরাধসংক্রান্ত তথ্যও যাচাই করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ জমা দেওয়ার প্রয়োজন হয়।

৮. অনলাইনে আবেদন

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র বিভাগ পরিচালিত ‘ইমিঅ্যাকাউন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করা যায়। আবেদন করতে কোনো এজেন্ট বাধ্যতামূলক নয়। তবে পেশাদার সহায়তা নিতে চাইলে নিবন্ধিত মাইগ্রেশন এজেন্ট বা আইনজীবীর সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: জেনে নিন মধ্যপ্রাচ্যের ১১ স্কলারশিপ সম্পর্কে

৯. আপডেট থাকতে হবে

ভিসা অনুমোদনের পর শিক্ষার্থীদের সর্বশেষ ভ্রমণনির্দেশনা ও প্রবেশ নীতিমালা সম্পর্কে আপডেট থাকতে বলা হয়েছে। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিবাসন ও ভ্রমণসংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ইকোনমিক টাইমস

ইতালিতে কনসার্টে গিয়ে হোটেল নোংরা করার অভিযোগ জেমসদের বিরুদ…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
৩ জেলায় নতুন ডিসি
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদন ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে, চূড়ান্ত…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
স্বর্ণপদক পেলেন বাকৃবি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম সরদার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
বন লুটের অভিযোগে ছাত্রদলের সদস্য সচিবসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মা…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদনের নোটিশে যা আছে
  • ২০ আগস্ট ২০২৬