জবি শিক্ষার্থীদের প্রতীকী অনশন, ছাত্রলীগের বাধা

২৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:১৮ PM
জবি শিক্ষার্থীদের প্রতীকী অনশন

জবি শিক্ষার্থীদের প্রতীকী অনশন © সংগৃহীত

শাবিপ্রবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থীদের প্রতীকী অনশনে বাধা দিয়েছে শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও নির্বিকার ভূমিকায় ছিলেন বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, শাবিপ্রবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতীকী অনশনের ডাক দেয়। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীরা বেলা ১২টা থেকে কর্মসূচিতে বসে। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মিরাজ হোসাইন সহ একদল ছাত্রলীগ কর্মী প্রতীকী অনশনরত শিক্ষার্থীদের প্লাকার্ড ছিড়ে ফেলে। এসময় শিক্ষার্থীদের অনশন কর্মসূচি পন্ড হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: প্রভোস্ট পদত্যাগের আন্দোলন যেভাবে ভিসি বিরোধী আন্দোলনে রূপ নিলো 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের অনশন কর্মসূচিতে বাধা দেয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার সাথে সাথেই তিনি স্থান ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে উভয় পক্ষকে তিনি প্রক্টর অফিসে ডেকে নিয়ে যান। এসময় প্রক্টর বরাবর শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিতে চাইলে, তিনি অভিযুক্তদের মাফ করে দিতে বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী আশফাক শরিফ বলেন, শাবিপ্রবি ভিসি তার নিজ পদে থাকার নৈতিক যোগ্যতা হারিয়েছে। আমরা শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার্থী-বান্ধব ভিসি চাই এবং শিক্ষার্থীদের যে কোন যৌক্তিক আন্দোলনে সবসময় আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে। যেই ভিসি গুন্ডা পুষে শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ দিয়ে হামলা করায়, এরকম ভিসি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে না হোক।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ সভাপতি ও নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সোমা বলেন, আমরা ভিসি ফরিদের পদত্যাগের দাবিতে প্রতীকী অনশনে বসলে ছাত্রলীগের কতিপয় কর্মী আমাদের পোষ্টার প্ল্যাকার্ড ছিড়ে ফেলে। একই সাথে আমাদের অনশন তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের এরুপ আচরণ এটাই প্রকাশ করে, তারা গুটি কয়েক শিক্ষার্থীকে ভয় পেয়ে ভিসি ফরিদের তোষামোদ করে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই ও একই সাথে ভিসি ফরিদের অবিলম্বে পদত্যাগ এর দাবি জানাই।

আরও পড়ুন: সংকট সামলাতে ব্যর্থ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চায় বাম জোট

তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজী বলেন, আমি শুনেছি ক্যাম্পাসে কিছু শিক্ষার্থী অনশনে বসেছিল। তবে সেখানে এরপর কি হয়েছে তা আমি অবগত না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি আকতার হুসাইন বলেন, এখন করোনার জন্য ক্যাম্পাস বন্ধ। সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থী কারা? অনশনে ছাত্রলীগের কর্মীদের বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা শিক্ষকরা শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের সাথে আছি। ছাত্রলীগের কর্মীদের দ্বারা প্ল্যাকার্ড ছেড়ার ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, এরকম কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। আমি কিছু জানি না।

রাজধানীতে ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৩ কারবারি গ্রেফতার
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীতে ১১৭টি চোরাই মোবাইলসহ চক্রের সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ ফুটের ‘কিং কোবরা’ উদ্ধার
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চমক দেখাল যবিপ্রবি, জাতীয় গ্রিডে যুক্…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো-ভিসিকে ভারপ্রাপ্ত ভিসির দায়…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬