খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এটিইউর লোগো © সংগৃহীত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ও আয়ারল্যান্ডের অ্যাটলান্তিক টেকনোলোজিক্যাল ইউনিভার্সিটির (এটিইউ) মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টুডেন্ট রিসার্চ প্লেসমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ২২ এপ্রিল বুধবার খুবির অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স এবং এটিইউর DORIS Project-এর মধ্যে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়।
চুক্তির আওতায় খুবির ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) ডিসিপ্লিনের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা এটিইউ-তে এক সেমিস্টারের জন্য গবেষণা প্লেসমেন্টের সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিবেশে কাজ করার পাশাপাশি আধুনিক গবেষণাগার, উন্নত প্রযুক্তি এবং অভিজ্ঞ গবেষকদের সঙ্গে সরাসরি কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য এটিইউ গবেষণা তত্ত্বাবধান, ল্যাব সুবিধা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, আবাসন এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সহায়তা প্রদান করবে। এ ছাড়া ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিমান ভাড়ার জন্য সর্বোচ্চ ৭৫০ ইউরো পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হবে এবং প্লেসমেন্ট চলাকালীন সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ থাকবে।
অন্যদিকে খুবি যোগ্য শিক্ষার্থী মনোনয়ন এবং প্রয়োজনীয় একাডেমিক ও প্রশাসনিক সহায়তা নিশ্চিত করবে। শিক্ষার্থীদের আয়ারল্যান্ডে ভ্রমণ, ভিসা এবং স্বাস্থ্য ও ভ্রমণ বীমা সংক্রান্ত নিয়মাবলি যথাযথভাবে অনুসরণের বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয় তদারকি করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গবেষণার অগ্রগতি ও সার্বিক কল্যাণ নিয়ে এটিইউর সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় বজায় রাখা হবে।
যৌথ তত্ত্বাবধান ব্যবস্থার অধীনে শিক্ষার্থীদের গবেষণা কার্যক্রম দুই প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে। ভবিষ্যতে এটিইউ-এর শিক্ষার্থী, গবেষক বা ভিজিটিং ফেলোরা খুবিতে এলে তাদের জন্য আবাসন, কর্মপরিসর এবং গবেষণাগার ব্যবহারের সুযোগ রাখা হবে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ড. মো. আশিক উর রহমান বলেন, ‘আমরা আশা করছি, চলতি বছর থেকেই মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের এই প্রোগ্রামে পাঠানো যাবে। এটি খুবির প্রথম রিসার্চ এক্সচেঞ্জ প্রজেক্ট, যা আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’
তিনি বলেন, অ্যাটলান্তিক টেকনোলোজিক্যাল ইউনিভার্সিটি তাদের ফান্ডিং অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক শিক্ষার্থী চাইবে এবং এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এই চুক্তি খুবির আন্তর্জাতিকীকরণে একটি বড় অর্জন হিসেবে আমরা দেখছি।