অনলাইনে রাবি ভর্তি কার্যক্রম, কমছে জটিলতা

১৩ আগস্ট ২০১৮, ০৫:২৪ PM

© ফাইল ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফরম পূরণ ম্যানুয়াল পদ্ধতি ছেড়ে অনলাইন পদ্ধতিতে আসায় সুফল ভোগ করছে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।  এতে গতি এসেছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের কাজেও।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, অনলাইন পদ্ধতিতে আসায় সময় ও শ্রম দুটোই লাঘব হচ্ছে তাদের।  নির্ভুলভাবে ফরম পূরণ করতে পারছেন তারা।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬ মাস আগে এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বাবুল ইসলামের হাত ধরে শুরু হয় অনলাইন পদ্ধতির ফরম পূরণের কার্যক্রম।  ওই সময় থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভিন্ন বিভাগের ১ম বর্ষ থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত এই পদ্ধতি অনুসরণ করে মোট ২১৩টি পরীক্ষার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে সুবিধার কথা জানিয়ে অধ্যাপক বাবুল ইসলাম বলেন, ‘ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কাজ করায় সময় বেশি লাগত।  শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে ফরম পূরণ করতে গিয়ে একাধিক ভূল ও কাটা ছেড়া হতো।  একই সাথে অসদুপায় অবলম্বন করে পরীক্ষায় বসতে চেষ্টা করতো কিছু শিক্ষার্থী।  অনলাইন পদ্ধতির কারণে সেসব সমস্যা আর পোহাতে হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রয়োজনীয় তথ্য সার্ভারে থাকায় কোর্স টাইটেলগুলো বসালেই পূরণকৃত প্রস্তুত ফরম প্রদর্শিত হচ্ছে।  এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ডাউনলোড করে নিতে পারছে শিক্ষার্থীরা। এতে তাদের সময় বেঁচেছে এবং শিক্ষক কর্মকর্তাদের শ্রম লাঘব হচ্ছে।  এজন্য ম্যানুয়াল পদ্ধতি বাদ করে দিয়েছি আমরা।’

শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে বিষয়টির সত্যতা মিলে।  সদ্য ফরম পূরণ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ বলছিলেন, ‘ফরম পূরণের কাজটি অল্প সময়ের মধ্যেই নির্ভূলভাবে করতে সক্ষম হয়েছি।  কোন ঝামেলা ছাড়া আমার মতো অন্য শিক্ষার্থীরাও হাতে লিখে ফরম পূরণ করতে পড়ছে।  অল্প কিছু তথ্য পূরণ করলেই আমার প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।  বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর এমন কাজ করায় অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।’

এত শুধু পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর নয়, বিভাগ কর্তৃপক্ষেরও কাজের জটিলতা কমিয়ে দিয়েছে।  এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের সভাপতি ড. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রবেশ পত্র নিয়ে কর্মকর্তা বা অন্যদের দ্বারা যে হ্যারাসমেন্টের শিকার হতে হতো সেগুলো কমে গিয়েছে।  কমেছে বিভাগের কাজের জটিলতাও।’’

তবে এতে ভোগান্তি বেড়েছে বলে দাবি করছেন কিছু শিক্ষার্থী।  তাদের মতে, যাদের নিজস্ব কম্পিউটার বা স্মার্টফোন সুবিধা নেই তাদের দোকানে গিয়ে লম্বা লাইন দিতে হয়, যা কষ্টকর। 

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাও
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
চ্যাটজিপিটি দিয়ে লেখা প্রেমের চিঠি যেভাবে ব্রেকআপের কারণ হত…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সিইউএফএল-কাফকোর পর এবার ডিএপি সার কারখানাও বন্ধ
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
আমি নাকি ছোটবেলায় রুকাইয়া জাহান না লিখে ‘রুকাইয়া রহমান’ লিখ…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
মিরপুরে ১০৭ বছরের পুরোনো গাবতলী মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্র…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুমকি হুথি বিদ্রোহীদের
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬