বেইলি রোড ট্র্যাজেডি এক বছর: শূন্যতা কাটেনি ড্যাফোডিলের তুষার ও মিনহাজের

০১ মার্চ ২০২৫, ০৪:২৪ PM , আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৫, ০৪:১৭ PM
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তুষার হাওলাদার এবং কে এম মিনহাজ উদ্দিন

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তুষার হাওলাদার এবং কে এম মিনহাজ উদ্দিন © টিডিসি সম্পাদিত

গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিভে যায় নারী-শিশুসহ ৪৬ জনের প্রাণ। আজ শনিবার (১ মার্চ) সেই বিভীষিকাময় দিনের এক বছর পূর্ণ হলো। এই ট্র্যাজেডিতে ঝরে যাওয়া ৪৬টি প্রাণের মধ্যে দুইজন ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। তারা হলেন- ৩৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তুষার হাওলাদার এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কে এম মিনহাজ উদ্দিন।

প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণ করেছেন এই দুই শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও শিক্ষকরা। তাদের অকাল মৃত্যুতে যে শূন্যতা নেমে এসেছিল তা এখনও অনুভব করি তারা। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না চেয়ে সরকারের কাছে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান দুই শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও শিক্ষকরা।

তুষার হাওলাদারের স্মৃতিচারণ করে তার সহপাঠী হুমায়ুন কবির মাসুদ দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, তুষারের সাথে আমাদের প্রত্যেকটি স্মৃতিই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সৃষ্টিকর্তার কাছে চাইবো ও ওর দুনিয়ায় ভালো থাকুক। আর যেটা কষ্টের সেটা হলো আজও পরিষ্কার হতে পারলাম না সেদিনের আগুনের ঘটনার সূত্রপাত কোথায় থেকে? আমরা বন্ধুরা তুষারের পরিবারের সঙ্গে মাঝেমধ্যে আলোচনা করি। যখন আন্টির (তুষারের মা) চোখের পানি দেখি, সেই সময়টা আমার জন্য সবচেয়ে কষ্টের মনে হয়।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৬৪তম ব্যাচের ত্বোহা জানান, একটা আগুন শুধু ভবন পোড়ায় না, কেড়ে নেয় ভাই, বন্ধু, স্বপ্ন আর হাসিমাখা মুখ। তুষার ভাই, মিনহাজ ভাই—আপনারা আজও আমাদের স্মৃতির মাঝে আছেন। আমরা কখনো সরাসরি তাদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ পাইনি, কিন্তু তারা আমাদের গল্পে, স্মৃতিতে, অনুপ্রেরণায় আছেন প্রতিদিন।

নাহিদ হাসান নামের আরেক সহপাঠী বলেন, বন্ধুকে হারিয়ে অনেক আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছি, বাংলাদেশে এই ধরনের ঘটনা নিত্যনতুন নয়। এ ধরনের ঘটনার পূর্ণবৃত্তি যাতে আর না হয়, আমরা বর্তমান সরকারের কাছে এই প্রত্যাশা রাখি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্সের ডিরেক্টর প্রফেসর ড. সৈয়দ মিজানুর রহমান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা আমাদের দুজন শিক্ষার্থীর শূন্যতা অনুভব করি এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি আশা করি না। 

তিনি বলেন, এ ধরনের রেস্টুরেন্টগুলোতে শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি যাওয়া হয়। আমাদের তরুণ প্রজন্মের একটু খাওয়া, একটু আড্ডা দেওয়ার কিংবা রিফ্রেশমেন্টের জায়গাগুলো তো একটু নিরাপদ হওয়া উচিত। আমরা চাই এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর কখনো না হোক, সরকার তার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে, এই আশাবাদ ব্যক্ত করি।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হ…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
রুয়েট ভর্তি পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি লড়ছেন ১৪ ভর্তিচ্ছু
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
কালীগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ শটগানের গো…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
বহিষ্কার হলেন বিএনপির আরেক নেতা দেলোয়ার হোসেন
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
কোনো প্রার্থী পুলিশের ন্যূনতম ফেভার পাবে না, বক্তব্য দিয়ে প…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬