শেষ হলো মানারাত ইউনিভার্সিটির বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সপ্তাহ

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৩১ PM , আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২৫, ১০:৫৭ AM
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম © টিডিসি ফটো

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ছয় দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক সপ্তাহ ২০২৪ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ‘একুশ শতকে বাংলা ভাষা, বই মেলা ও বই পড়া’ শীর্ষক আলোচনার মধ্য দিয়ে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন শেষ হয়। এছাড়া সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনের মধ্যে ছিল- খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিকদের কবিতা আবৃত্তি ও পর্যালোচনা।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুছ ছবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক এবং প্রাবন্ধিক, গবেষক ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির পরিচালক খান মাহবুব। 

এছাড়া কবিতা আবৃত্তি ও পর্যালোচনায় অংশ নেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি বিমল গুহ, দৈনিক মাতৃভূমির সাবেক সাহিত্য সম্পাদক কবি দীলতাজ রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব কবি আমিনুল ইসলাম, সময় পূর্বাপরের সম্পাদক কবি হাসান মাহমুদ, সরকারি কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক খ্যাতিমান কবি রনজু রাইম, ধান শালিকের দেশ, বাংলা একাডেমির সহ সম্পাদক শামস নুর এবং পশ্চিমবঙ্গের কবি ও নজরুল গবেষক ইনাস উদ্দিন প্রমুখ। 

এ সময় প্রধান অতিথি অধ্যাপক ‌ড. সাদেকা হালিম বলেন, ভাষা আন্দোলনে রফিক, জব্বার যারা শহীদ হয়েছেন তারা এ দেশে বহুমাত্রিকতার ও অনেক ধর্মের মানুষের একটি দেশ দেখতে চেয়েছেন। বাংলাদেশ একটি একক জাতি সত্তা বা একটি ধর্মের মানুষের দেশ নয়। হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ সবার বাস এখানে। তাই আমরা মুসলমানরা বড় জাতি হিসেবে আমাদের আচরণ সৌহার্দ্যপূর্ণ হতে হবে। উচ্ছৃঙ্খল বা স্বেচ্ছাচারী হলে হবে না। 

তিনি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্যের বিষয়ে জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ফেব্রুয়ারিতে আরব আমিরাতে জাতিসংঘের এডুকেশন আর্ট অ্যান্ড কালচার নামের একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। সেখানে বলা হয়েছে প্রত্যেকটা লেখা পড়ার মধ্যেই সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিতে। তারা বলছে ভাস্কর্য শেখাতে, ড্রইং শেখাতে, আর্ট শেখাতে, ইতিহাস বলতে। এছাড়া তিনি এ সময় ছাত্র-ছাত্রীদেরকে জ্ঞান অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। 

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুছ ছবুর খান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের মধ্যে সংস্কৃতি, ভাষা, সাহিত্য, স্বদেশ নিয়ে যে বিভ্রান্তি ও সীমিত জ্ঞান ছিল। আমার মনে হয় এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে তা অনেকটা কাটতে শুরু করেছে। আমরা প্রত্যেকটা পার্বণ ও সংস্কৃতির অনুসঙ্গকে এভাবেই তোমাদের সামনে নিয়ে আসবো। 

অনুষ্ঠান শেষে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক, কবিতা আবৃত্তি, সঙ্গীত পরিবেশন, উপস্থিত বক্তব্য প্রদান ও ডিজিটাল প্রচারণা করে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করার জন্য বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। 

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য এই সাংস্কৃতিক সপ্তাহ শরু হয়। মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাব এই সাংস্কৃতিক সপ্তাহের আয়োজন করে। এতে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে অংশ নিয়েছে শিক্ষাবিষয়ক অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস।

বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আরএফএল গ্রুপে, পদ ১০০, আবেদন অভিজ্ঞতা ছা…
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
মালদ্বীপকে ১৪ গোলে উড়িয়ে শিরোপা জিতল বাংলাদেশ
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
কর্ণফুলীতে অটোরিকশার চালকের মরদেহ উদ্ধার
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের প্যারোল নিয়ে প্রকাশিত খবরের ব্যাখ্য…
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
জুলাই আন্দোলনে হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকার তিন আসনে জামায়াত আমিরের নির্বাচনী জনসভা আজ
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬