© সংগৃহীত
যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা করার দুই দিনের মাথায় বহিষ্কার করা হয়েছে থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফয়সাল আহমেদ লিংকনকে।
গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার বিষয়টি জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপিত ফয়সাল আহমেদ লিংকনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার কর হল। তাকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তা আগামী ৩ দিনের মধ্যে লিখিত আকারে জানাতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ৯ মার্চ সহ-সভাপতি ফয়সাল আহমেদ লিংকন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অভিযোগ করেন, যাত্রাবাড়ী থানার সভাপতি আতিকুর রহমানের বয়স ৩১ বছর ২ মাস। তার ছাত্রত্ব নেই এবং সে একজন বেকারি কর্মচারী। তবুও তাকে ছাত্রলীগের সভাপতি করা হয়েছে।
এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠনের দু’দিন পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে চার মাস অতিবাহিত হলেও গঠিত তদন্ত কমিটি এখনো কোন প্রতিবেদন দাখিল করেনি। সেজন্য তিনি আদালতে মামলা করেন।
গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আদালত যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমানকে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে মর্মে রুল জারি করে। একই সাথে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহেমদকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে।
এ বিষয়ে জানতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১১ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এই কমিটিতে সভাপতি করা হয় আতিকুর রহমানকে। এর পরই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।