হামলায় আহত ছাত্রদল নেতা © টিডিসি ফটো
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের প্রচার কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার সন্ধ্যা ছয়টায় বাংলামোটরে তাবিথ আউয়ালের অফিসের নিচে এ হামলা চালানো হয়। হামলায় ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক এইচ এম আবু জাফর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম আবু জাফরসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহদের মধ্যে অন্যরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মাসুম, মহসিন হলের যুগ্ম আহবায়ক হাসান, ঢাকা কলেজের যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ রানা। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
হামলায় আহত ঢাবি ছাত্রদল নেতার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তার মুঠোফোনটি রিসিভ করেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক বায়েজিদ। তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সন্ধ্যার পর কাওরান বাজারে তাবিথ আউলের নির্বাচনী প্রচারণার কাজে তার অফিসের সামনে ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্মীরা বসেছিলেন। এসময় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় জাফরের মাথা ফেটে যায়। তার মাথায় ৭টি সেলাই পড়েছে।
এ বিষয়ে ঢাবি ছাত্রদলের আহবায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, হামলায় আবু জাফর ছাড়াও এসএম হলের মাসুম বিল্লাহ, মাসুদসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। । আমরা এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনারের কাছে প্রতিবাদলিপি দিব।

শুক্রবার ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। দলীয় প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা প্রচারণা শুরু করেন। উত্তর সিটিতে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টর থেকে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ৪ নম্বর সেক্টর থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম প্রচারণা শুরু করেন। আর দক্ষিণে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম থেকে এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ডেমরা থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।
আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২৮ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। শুক্রবার সকালে রিটানিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক বরাদ্দ করেন। এবার দলীয়ভাবে নির্বাচন হওয়ায় বিএনপির প্রার্থীরা ধানের শীষ এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টি লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।