প্রাথমিকের যোগদান আড়াই মাসেও হয়নি, এবার প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রার্থীদের

১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১২ PM , আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৭ PM
দেশের ৬১ জেলার প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

দেশের ৬১ জেলার প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। © সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও যোগদান করতে পারেননি ১৪ হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থী। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের দুই মাসের বেশি সময় পার হলেও তাদের যোগদান করানো হয়নি। এতে নিজেদের হতাশা ও অনিশ্চয়তার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন যোগদান আটকে থাকা প্রার্থীরা।

আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে দেশের বাকি ৬১ জেলার প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একযোগে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেন, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরপর মেডিকেলসহ সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন প্রার্থীরা। তবে দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো যোগদানের বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। দীর্ঘ বিলম্বের কারণে বহু প্রার্থী আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন। কেউ কেউ আগের চাকরি থেকে পদত্যাগ করে বর্তমানে বেকার অবস্থায় রয়েছেন। আবার অনেক প্রার্থীর বয়সসীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় বিকল্প কোনো সরকারি চাকরির সুযোগও নেই। ফলে সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তারা।

স্মারকলিপিতে, তাদের যোগদানের বিষয়টি মানবিক ও জরুরি দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের দ্রুত যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

গত ১৩ এপ্রিল চাকরিতে দ্রুত যোগদানের ব্যবস্থা করার দাবিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। সে সময়ও তারা এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

এর আগে গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করে অধিদপ্তর।

জানা গেছে, যোগদানের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের দেওয়া স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ-প্রত্যয়ন ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দাখিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এছাড়া ১ মার্চের মধ্যে সব ডকুমেন্টস যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সব মূল সনদ, সিভিল সার্জনের দেওয়া স্বাস্থ্যগত সনদ-প্রত্যয়ন এবং ডোপটেস্ট রিপোর্টসহ সশরীরে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়। এসব নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম শেষ হয়েছে। তারপরও চূড়ান্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রার্থীরা যোগদান করতে পারছেন না।

হৃদয়ের ঝড়ে জাফনার রোমাঞ্চকর জয়
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
জবি ছাত্রশক্তির নেতৃত্বে শাহিন মিয়া ও ফেরদৌস শেখ
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
রুয়েটে সার্টিফিকেট পেতে আর নয় ৮৭ ক্লিয়ারেন্স, আসছে অনলাইন স…
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’য় বিএনপি-ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ, ত…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
আপনার পতন ছাত্রদল আর যুবদলই নিয়ে আসবে—প্রধানমন্ত্রীকে শিবির…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
সহপাঠীদের সঙ্গে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের পুকুরে নেমে প্রাণ হারা…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬