সরকারের নতুন জালানী নীতিমালা নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাল জামায়াতে ইসলামী 

০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৫ PM
সরকারের জ্বালানি নীতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর জরুরি সংবাদ সম্মেলন

সরকারের জ্বালানি নীতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর জরুরি সংবাদ সম্মেলন © সংগৃহীত

পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণন বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার সরকারি উদ্যোগকে অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে  জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী সরকারের নতুন জালানী নীতিমালা নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। দলটি অভিযোগ করেছে, জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও সরকার এটা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলছে না। পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণনের কাজ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার নতুন নীতিমালা তৈরির প্রসঙ্গে চলছে ষড়যন্ত্র, নথির আড়ালে ও বন্ধ দরজার ভিতরে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকালে মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে দলটি। এতে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব, শাহাবুদ্দিন, ড. মু. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার।

লিখিত বক্তব্যে জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে সরিয়ে দেওয়ার পর জ্বালানি খাতকে বেসরকারি কোন শিল্প গ্রুপের হাতে ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ আরও এক ধাপ এগিয়েছে। নতুন চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়ার চার দিনের মাথায় বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণনের জন্য চার দিনের মধ্যে খসড়া নীতিমালা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই: এটি সংস্কার নয়, এটি হস্তান্তর। এটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি দূর্নীতি ও লুটপাটের লাইসেন্স। গত ৬ আগস্ট বাংলাদেশ অয়েল, গ্যাস অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন চট্টগ্রামে জরুরি সভা করে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলেছে, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, বিক্রয় ও বিপণন বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। ইস্টার্ন রিফাইনারি, পদ্মা, যমুনা ও এলপিজির সিবিএ নেতারা একবাক্যে বলেছেন-এটি সরকারের জন্য আত্মঘাতী এবং দেশের জন্য বিপজ্জনক।

শামসুল ইসলাম বলেন, এই অভিযোগ কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তোলেনি। তুলেছেন সেই মানুষগুলো, যারা তিন দশক ধরে এই খাতের ভেতরে দাঁড়িয়ে কাজ করছেন। তারা বলছেন, সরকারের ভেতরেই ঘাপটি মেরে থাকা একটি দুর্নীতিবাজ ও সুবিধাবাদী চক্র এই সিদ্ধান্ত সরকারের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চাইছে। আমরা প্রশ্ন করছি, যে খসড়া নিয়ে মন্ত্রণালয়ের ভেতরে কাজ হচ্ছে, তা জনগণের সামনে নেই কেন?

জামায়াতের উদ্বেগ তুলে ধরে শামসুল ইসলাম বলেন, এটি নতুন কিছু নয়, এটি পুরোনো লুটের দ্বিতীয় সংস্করণ। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার তার শেষ সময়ে, ক্ষমতা হারানোর মাত্র দুই মাস আগে, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল বিক্রির নীতিমালা করেছিল এবং সেই সুবিধা পেয়েছিল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী। আজ যদি একই মডেল ফিরে আসে, তাহলে জুলাইয়ের রক্তের অর্থ কী ছিল?

তিনি অভিযোগ করে বলেন, একচেটিয়া চক্র ভাঙা হচ্ছে না বরং হচ্ছে একতরফা হাতবদল। বলা হচ্ছে, বিপিসির একচেটিয়া অধিকার ভাঙলে প্রতিযোগিতা আসবে, দাম কমবে। বাস্তবতা হলো, জ্বালানি তেল আমদানির জন্য দরকার গভীর সমুদ্রবন্দরের সুবিধা, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং, বিশাল ট্যাংক টার্মিনাল, পাইপলাইন ও শত শত কোটি ডলারের ব্যাংক লাইন। বাংলাদেশে এই সক্ষমতা আছে হাতেগোনা তিন-চারটি গোষ্ঠীর। অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া ভেঙে তৈরি হবে বেসরকারি একচেটিয়া যার ওপর জনগণের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না, সংসদের কোনো জবাবদিহি থাকবে না, কোনো নিরীক্ষা থাকবে না। 

জ্বালানীখাতকে যে যুক্তিতে বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে সেই যুক্তিকে মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, বলা হচ্ছে, বিপিসি অদক্ষ, বিপিসি লোকসানি, তাই বেসরকারি খাত দরকার। কিন্তু তথ্য বলছে বিপিসি ২০২৩-২৪ সালে নিট মুনাফা ছিল ৩,৯৪৩ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ সালে মুনাফা ছিল ২,০৫০ কোটি টাকা। অর্থাৎ যে প্রতিষ্ঠানকে ব্যর্থ বলে বেচে দেওয়ার আয়োজন হচ্ছে, সেই প্রতিষ্ঠান পরপর দুই অর্থবছরে হাজার কোটি টাকার মুনাফা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছে।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, চলতি বছরের সংকট হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়া, বিশ্ববাজারে দৈনিক এক কোটি ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি-এটি বিপিসির ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতা নয়, এটি ভূ-রাজনৈতিক ধাক্কা। জ্বালানিমন্ত্রী নিজেই সংসদে স্বীকার করেছেন, বিপিসি এখন দৈনিক প্রায় ৭৮ কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে কারণ বিশ্ববাজারে দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরও ভোক্তার কথা ভেবে দেশে দাম বাড়ানো হয়নি। 

যুদ্ধকালীন সংকটকে বেসরকারিকরণের অজুহাত বানানো হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও সরবরাহ সংকটকে ঢাল বানিয়ে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে তড়িঘড়ি করে। গত ২৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র জমার সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করা হবে। দ্রুততা আর স্বচ্ছতা পরস্পরবিরোধী নয়। কিন্তু এখানে দ্রুততার নামে স্বচ্ছতাই বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশে বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকার জ্বালানীর বাজার উল্লেখ করে জামায়াত নেতারা বলেন, এই বিপুল বাজার যদি কয়েকটি গোষ্ঠীর হাতে যায়, তাহলে প্রতি লিটারে এক টাকা বাড়তি মুনাফাও বছরে হাজার কোটি টাকার লুণ্ঠনে পরিণত হয় এবং তা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়। জ্বালানি নিরাপত্তা রাষ্ট্রের হাতছাড়া হবে। জ্বালানি তেল সাধারণ পণ্য নয়। এটি প্রতিরক্ষা, কৃষি, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও বিমান চলাচলের রক্তপ্রবাহ। দেশে একটিমাত্র শোধনাগার, ইস্টার্ন রিফাইনারি। মজুত সক্ষমতা সীমিত। এমন ভঙ্গুর অবস্থায় সরবরাহ শৃঙ্খল বেসরকারি হাতে গেলে দুর্যোগ বা যুদ্ধের সময় রাষ্ট্র কাকে নির্দেশ দেবে? কোম্পানি যদি বলে ‘লাভ হচ্ছে না, তেল আনব না’ তখন কী হবে? প্রত্যন্ত চর, হাওর, পাহাড়ে অলাভজনক রুটে তেল পৌঁছাবে কে? বিপিসি যা লোকসান দিয়েও করে, বেসরকারি কোম্পানি কেন করবে? যেদিন সিদ্ধান্তটি কোম্পানির বোর্ডরুমে চলে যাবে, সেদিন থেকে বাংলাদেশ আর নিজের জ্বালানি নিরাপত্তার মালিক নয় বলে মন্তব্য করেন তারা।

সরকারের কাছে সরাসরি প্রশ্ন রেখে শামসুল ইসলাম বলেন, বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের কোনো খসড়া নীতিমালা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে কি না- হ্যাঁ অথবা না? থাকলে সেই খসড়া আজই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে কি না? কোন সমীক্ষা, কোন খরচ-সুবিধা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত? সেই সমীক্ষা প্রকাশ করা হবে কি? কোন কোন কোম্পানি এ পর্যায়ে এ বিষয়ে আবেদন বা প্রস্তাব দিয়েছে, তাদের নাম প্রকাশ করা হবে কি? দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে ১০ দিনে নামানোর সিদ্ধান্তের কারিগরি ভিত্তি কী? এতে দরদাতার সংখ্যা কমেছে কি না তা প্রকাশ করা হবে কি? বেসরকারি আমদানিকারক এলে ভোক্তাপর্যায়ের দাম কে নির্ধারণ করবে, বিইআরসি, নাকি কোম্পানি? পতিত সরকারের আমলে যে বেসরকারি কোম্পানিকে জ্বালানি তেল বিপণনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, সেই সিদ্ধান্তের পুনর্মূল্যায়ন হয়েছে কি? না হয়ে থাকলে কেন?

শামসুল ইসলাম বলেন, কেউ যেন না ভাবেন এটি নিছক বিরোধীদলের রাজনৈতিক বক্তব্য। দেশের স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তা সংগঠনগুলো একই কথা বলছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম স্পষ্টভাবে বলেছেন, জ্বালানি এমন একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য যা মুনাফা করার মতো পণ্য নয়। তার মতে, এই কার্যক্রম যত বেশি সরকারের অধীনে এবং সীমিত মুনাফার মধ্যে পরিচালিত হয়, ততই মঙ্গল-তাই জ্বালানি খাত সরকারের অধীনেই থাকা উচিত।

কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বহু বছর বরে দাবি জানিয়ে আসছেন, জ্বালানিকে মুনাফার খাত নয়, সেবাখাত হিসেবে ঘোষণা করে কস্ট-প্রাইস ভিত্তিতে সরবরাহ করতে হবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন কোম্পানিগুলো কত মুনাফা করছে এবং সেই মুনাফা থেকে রাষ্ট্র কত পাচ্ছে, সরকারকে তা স্পষ্ট করে বলতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও তিনি কঠোর সমালোচনা করেছেন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা নেই, বরং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো অনেক ক্ষেত্রে নিজেরাই আইন ভাঙছে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোশাহিদা সুলতানার মূল্যায়ন, বাংলাদেশের জন্য এখনো এমন বেসরকারি ব্যবস্থায় যাওয়ার সময় হয়নি। কোনো বেসরকারি কোম্পানির হাতে ছেড়ে দিলে এলপিজি খাতে যা ঘটেছে, তারই পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। বেসরকারি সিন্ডিকেটের দাপটে সাধারণ মানুষ সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি কিনতে পারেনা। অর্থাৎ সরকার দাম ঘোষণা করে, সিন্ডিকেট দাম আদায় করে। এটিই বাংলাদেশের বাস্তবতা। ডিজেল-পেট্রোলের ক্ষেত্রে একই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি হলে ক্ষতিটা হবে জাতীয় মাপের।

জামায়াতের দাবি, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত ও বিপণন বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার সব উদ্যোগ অবিলম্বে স্থগিত করতে হবে। খসড়া নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট সব নথি প্রকাশ্যে উন্মুক্ত করতে হবে এবং কমপক্ষে ৬০ দিনের জনমত গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অধীনে উন্মুক্ত শুনানি করতে হবে, যেখানে বিরোধী দল, ক্যাব, সিপিডি, বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, শ্রমিক ফেডারেশন ও ভোক্তা প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন। বেসরকারিকরণের বদলে বিপিসির সংস্কার স্বাধীন নিরীক্ষা, বোর্ডে পেশাদার নিয়োগ, ক্রয় প্রক্রিয়ায় ই-জিপি বাধ্যতামূলককরণ, প্রতি ত্রৈমাসিকে আমদানি মূল্য ও পরিমাণের তথ্য উন্মুক্তকরণ। ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট (ইআরএল-২) ও কৌশলগত মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর প্রকল্প নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করে বাস্তবায়ন করতে হবে। জ্বালানি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের আইনি সুরক্ষা খর্ব করার সব সুপারিশ প্রত্যাহার করতে হবে।

জামায়াত বাজার অর্থনীতির বিরোধী নয় দাবি করে শামসুল ইসলাম বলেন, আমরা বেসরকারি বিনিয়োগেরও বিরোধী নই। আমরা বিরোধী জবাবদিহিহীন হস্তান্তরের এবং দূর্নীতির সুযোগ বিস্তারের। প্রতিযোগিতা মানে একচেটিয়া হাতবদল নয়। সংস্কার মানে প্রতিষ্ঠান মেরামত, প্রতিষ্ঠান বিক্রি নয়। জ্বালানি নিরাপত্তা মানে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ, গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ নয়। আমরা চাই সরকার নিজেই এই ভুল পথ থেকে সরে আসুক। 

বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে ব্যাখ্…
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের জলসীমা থেকে ৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা, বাড়ল সময়
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে তরী বাংলাদেশের …
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
১১ গোলের ঝড়ে খাগড়াছড়ির মেয়েদের দাপুটে জয়
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
পরকিয়ার অভিযোগ অস্বীকার ফিফা সভাপতির
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬