এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ © টিডিসি
বিএনপিকে ইঙ্গিত করতে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ বলেছেন, বিভিন্ন আসনে একটি রাজনৈতিক দলের তিনজন প্রার্থী, চারজন প্রার্থী। অথচ আমাদের ১১টি রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশে প্রত্যেকটি আসনে শুধুমাত্র একজন প্রার্থী। অথচ চাঁদাবাজরা, দুর্নীতিবাজরা তাদের ভাগের জন্য এখনো চারজন-পাঁচজন করে প্রার্থী দিয়ে আছেন। যদি তারা বিজয়ী হয়ে আসতে পারেন তারা তাদের চাঁদাবাজির ভাগ বুঝে নিতে চান। অথচ আমরা দেশের জন্য জাতির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাড্ডায় ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা বিগত এক থেকে দেড় বছর মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়েছেন, পরিশ্রম করেছেন। তারপরও যখন দেশ এবং জাতির স্বার্থে সামনে এসেছে, তারা তাদের এত পরিশ্রম, নেতাকর্মীদের কষ্ট সবকিছু ত্যাগ করে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। কাধে কাধ মিলিয়েছেন।
১২ ফেব্রুয়ারির পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন ঘটবে জানিয়ে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। এখন সেই পরিবর্তন ইতিবাচকভাবে ঘটবে নাকি নেতিবাচকভাবে ঘটবে তা নির্ধারণ করতে হবে বাংলাদেশের জনগণকে। আমরা দেখছি নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনের প্রচারণায় বিভিন্ন জায়গায় বলছে ১২ তারিখ পর্যন্ত কোন চাঁদাবাজি করা যাবে না, ১২ তারিখের পরে চাঁদাবাজি করা যাবে। তারা পাবলিক এ ধরনের কথা জনগণের সামনে এসে বলার পরেও বাংলাদেশের জনগণ কোনভাবেই তাদের পক্ষে রায় দেবে না। গত ১৭ মাসে তারা তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছে যে বাংলাদেশে আগামী দিনে কি করতে চায়।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের নির্বাচনের প্রচারনায় প্রত্যক্ষ করছি প্রত্যেকটি জেলায় জেলায় গিয়ে তারা ভুলভাল কথা বলছে। নীলফামারিতে যেখানে মেডিকেল কলেজ আছে, সেখানে বলছেন মেডিকেল কলেজ করে দিবেন। কুমিল্লায় যেখানে ২৫ বছর ধরে ইপিজেড আছে, সেখানে বলছেন ইপিজেড করে দিবেন। আমরা দেখছি যে ময়মনসিংহে যেখানে ভুট্টা চাষ হয়, সেখানে বলছেন সয়াবিনের চাষ হয়। আপনারা যেই দেশকে জানেনই না। এই দেশের কোথায় মানুষের কি সমস্যা? কৃষকের কি সমস্যা? মেহনতি মানুষের কি কি সমস্যা? সেটাই আপনার জানেন না তাহলে কিভাবে আপনারা স্বপ্ন দেখেন যে আপনারা এ দেশকে মুক্তি দিবেন।