যুবলীগ নেতার যোগদান ঘিরে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৬ AM
বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার

বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার © টিডিসি ফটো

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নে এক যুবলীগ নেতার বিএনপিতে যোগদানকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার তালতলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুবিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ধানের শীষের প্রার্থী ইশরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টোর পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন। উঠান বৈঠক চলাকালে সুবিদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মো. দোলন মুন্সির নেতৃত্বে ১০–১৫ জন আওয়ামী লীগ সমর্থক বিএনপিতে যোগদানের চেষ্টা করেন। তবে দোলন মুন্সির বিরুদ্ধে অতীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকির অভিযোগ থাকায় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. সজল তালুকদারসহ বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী এতে আপত্তি জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর পাল্টা হিসেবে দোলন মুন্সির মেঝো ভাই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক নেতা জহিরুল ইসলাম সুমন মুন্সী এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অহিদুল ইসলাম অপুর নেতৃত্বে অপর একটি পক্ষ যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে লাঠিসোটা নিয়ে দুই পক্ষ আলাদা অবস্থান নেয়।

ঘটনার সময় উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান খান হেলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তৌহিদ আলম মান্না এবং সদস্য সচিব মো. সাইদুল কবির রানা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে কার্যালয়ের তালা খুলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সুমন মুন্সীর পরিবারের সদস্যদের ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. সজল তালুকদার বলেন, 'ধানের শীষের উঠান বৈঠক চলাকালে ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা দোলন মুন্সি ১০–১৫ জন যুবলীগ ক্যাডার নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিতে আসেন। ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর তার নাম ঘোষণা করলে আমি বাধা দিই। এ সময় অহিদুল ইসলাম অপু আমাকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় প্রশ্ন করেন আমি কে। এরপর আমরা সভাস্থল ত্যাগ করে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করি। পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুমন মুন্সীর নেতৃত্বে যুবলীগ ক্যাডাররা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএনপি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা করলে আমরা তা প্রতিরোধ করি।'

নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে হিমশিম, প্রধান উপদেষ্টার কাছে আর্থিক …
  • ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লা লিগায় দারুণ জয় পেল বার্সেলোনা
  • ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মসজিদ থেকে বের করে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম
  • ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুবলীগ নেতার যোগদান ঘিরে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া–পা…
  • ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাড্ডায় সুব্রত বাইনের সহযোগী অস্ত্রের চালানসহ গ্রেপ্তার
  • ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটকেন্দ্রকে ধূমপানমুক্ত এলাকা নিশ্চিত করতে রিটার্নিং কর্মক…
  • ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬