সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী © টিডিসি সম্পাদিত
বিএনপি থেকে মির্জা আব্বাসের বহিষ্কার চেয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এই অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেছেন, হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে মির্জা আব্বাসের বাহিনী আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। তারেক রহমানকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে উনার দলে কি উনি সন্ত্রাসীদের বসাবেন না নাকি তাদেরকে বহিষ্কার করবেন। আমি তারেক রহমানকে অনুরোধ করবো মির্জা আব্বাসকে দলীয় শৃঙ্খলা ব্যতয়ের অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করার জন্য।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকার একটি মিলনায়তনে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আজকে আমাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হল। ছাত্রদলের যারা হামলা করলো, মির্জা আব্বাসের যে সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা করলো, আমি পুরো বাংলাদেশের কাছে বিচার দিলাম। ১২ তারিখে আপনারা ভোটের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের হামলা এবং সন্ত্রাসীরা যেভাবে বাংলাদেশে প্রত্যেক জায়গায় হামলা করে বেড়াচ্ছে, এটার বিচার করবেন।
‘‘আমি ঢাকা-৮ আসনের ভাই-বোন এবং বাংলাদেশের সকল মানুষের কাছে বিচারটা রেখে গেলাম যে সন্ত্রাসী বাহিনী এবং উনি যে সন্ত্রাস করে, গ্যাংস্টার বাজি করে এটা আজকে উনি প্রমাণ করলেন পুরো বাংলাদেশের সামনে। এটা বিএনপি প্রশাসন। দেশের মানুষের কাছে আমি উনার বিচারের ধার ছেড়ে দিলাম। শহীদ ওসমান হাদি ভাই বলেছিল, উনার বিচারের কথা আজকে যদি উনার বিচার হতো তাহলে এ ধরনের দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ড তারা করতে পারতো না।’’
তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি বিচারহীনতার সংস্কৃতির মধ্যে রয়েছি, ইলেকশন কমিশন আজকে দেখছে এবং তারা উল্লাস করছে একটি দলের পক্ষে। তারা আমাদেরকে একটি খালি মাঠে ছেড়ে দিয়েছে, যেখানে আমাদের কোন নিরাপত্তা নাই। আমরা ইলেকশন কমিশনকে বলব, সুষ্ঠু নির্বাচনের দায়িত্ব আপনাদেরকে দেওয়া হয়েছে।
‘‘আপনারা সুষ্ঠু ইলেকশনের দিকে যান। আমরা সহযোগিতা করতে চাই। এর মধ্যে আমরা খোঁজ পেয়েছি ৫০ জন প্রার্থী ঋণ খেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিককে অনুমোদন দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দেওয়ার আগেই ইলেকশন কমিশন তাদেরকে সংসদে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশে এই গণঅভ্যুত্থানের পরে প্রথম বাংলাদেশে যেই দুর্নীতির কাজটা ইলেকশন কমিশন করেছে এটা বাংলাদেশের জন্য একটা লজ্জা। তারা মানুষ ভোট দেওয়ার আগে গোল দিয়েছে।’’