তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বৃটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক © সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জি এবং বৃটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকাল ও সন্ধ্যায় এই সৌজন্য সাক্ষাতে প্রথমে আসেন নেপালের রাষ্ট্রদূত, পরে ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাতে আসেন বৃটিশ হাই কমিশনার।
দুই সৌজন্য সাক্ষাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎ শেষে যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির জানান, প্রথমে নেপাল, এরপর ভূটানের রাষ্ট্রদূত এবং সর্বশেষ বৃটিশ হাই কমিশনার বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। অত্যন্ত সৌহার্দ্য ও আন্তরিক পরিবেশে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বিদেশীদের কাছে ওনার বিষয়ে প্রচন্ড আগ্রহ দেখা দিয়েছে। তারা বুঝতে পারছেন যে তারেক রহমানের গ্রহণযোগ্যতা এদেশের জনগণের কাছে কত গভীর ও বেশি। সেই কারণে সবাই অপেক্ষা করছেন বাংলাদেশে একটি গ্রহণযোগ্য সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যদি ওনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেয়, তাহলে তারা গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন ওনার সঙ্গে কাজ করতে। কিভাবে বাংলাদেশের উন্নয়নে তারা ভূমিকা রাখতে পারবেন, সে বিষয়টিও তারা তারেক রহমানের কাছ থেকে জানতে চান।
হুমায়ুন বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে, তারা অপেক্ষায় আছেন বাংলাদেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের। এদেশের জনগণ স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছে। তারাই এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে। এখানে বিদেশীদের কোনো ভূমিকা নেই।
তিনি বলেন, এসব দেশের রাষ্ট্রদূত নিজ নিজ দেশের সাথে বাংলাদেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক কিভাবে উন্নয়ন করা যায়, সহযোগিতার ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।