গ্রেফতার হওয়া হ্যাকার হায়দার আলী আয়াশ © সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েলসে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। যেখানে সাবেক এক শিক্ষার্থী কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাক করার ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত সিস্টেম ডিজাইন কোর্সের মাস্টার্স শিক্ষার্থী, ২৯ বছর বয়সী হায়দার আলী আয়াশ ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের মে পর্যন্ত নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাক করে প্রশ্ন বিক্রির ব্যবসায়ে নামেন। ইরাকি এ হ্যাকারকে সহযোগিতা করেন লিবিয়ায় জন্ম নেয়া নুরুলদিন ইলতারকি। দুজনেই একই বাসায় থেকে অবৈধ এ ব্যবসার মাধ্যমে আয় করেন হাজার হাজার ডলার। বেশ গোপনীয়তার সাথে কাজ করলেও শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজনের খাতায় একই ধরণের বানান ভুল দেখে সন্দেহ হয় গণিতের প্রভাষক লিয়াম হ্যারিসের। তিনি এর কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইব হ্যাক হওয়া এবং প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি জানতে পারেন।
আরও পড়ুন: বিনামূল্যে রোবটিক্স শেখাবে ‘আলোড়ন’
গত ৩০মে পুলিশ হায়দার আলী আয়াশকে গ্রেফতার করে। আয়াশের ল্যাপটপ অনুসন্ধান করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পায় পুলিশ; গ্রেফতার হন আয়াশের সহযোগী নুরুলদিন ইলতারকিও। আদালতে শুনানীতে বলা হয়, প্রায় ৭০০ বার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট একসেস নিয়ে ১৭৮টি ফাইল ডাউনলোড করতে সক্ষম হন আলী আয়াশ। যার মাধ্যমে হ্যাকার আলী আয়াশ নিজেই আয় করেন প্রায় ২ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা (বাংলাদেশি মুদ্রায়)।
এ ঘটনায় আদালতে বিচারক উইন মরগ্যান বলেন, ‘নিঃসন্দেহে প্রতিভা এবং দক্ষতার কাজ’, কিন্তু সে সেটা লোভের পিছনে ব্যয় করেছে।’
নিউজ আল-আরাবিয়া