© এনডিটিভি
ঘটনা একদম ঠিক পড়ছেন। গল্প মনে হলেও এমন বাস্তবতার শিকার সোনু কুমার চৌহান। ভারতের পাঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে তিনি যখন তিন বন্ধুকে নিয়ে সাইকেলে চড়ে বাড়িক উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন তখনও জানতেন না, কপালে কী ঘটতে যাচ্ছে!
সোনুর বাড়ি নেপালের সীমান্তবর্তী এক জেলায়। বাড়ি পৌঁছাতে যখন আর মাত্র ১৫০ কিলোমিটার বাকি তখনই ফ্যাসাদে জড়ালেন। চার জনকেই সীমান্তরক্ষী বাহিনী আটক করে পৌঁছে দিলেন কোয়ারেন্টিন সেন্টারে!
এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, লকডাউনের মধ্যেও টানা সাত দিন সাইকেল চালিয়ে কেন ৮৫০ কিলোমিটার পথ ভেঙে এভাবে বাড়ি ফিরছিলেন সোনু? বৈশাখীর পরেই যে বিয়ে ছিল তাঁর!
পেশায় লুধিয়ানার একটি টাইলস কারখানার কর্মী সোনু মহারাজগঞ্জের পিপড়া রসুলপুরের বাসিন্দা। বাড়ি থেকে যখন মাত্র ১৫০ কিলোমিটার দূরে তখনই চারজন চোখে পড়ে যান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। কারণ, তাঁরা এক শহর থেকে অন্য জায়গায় আসছিলেন।
হতাশ সোনু পরে জানান, ‘কোনও মতে আর মাত্র ১৫০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে বাড়ির এলাকায় ঢুকে যেতে পারলেই কেউ আটকাত না। কিন্তু কপাল খারাপ। ধরা পড়ে গেলাম। বিয়ে তো হলই না। উপরন্তু এখন এভাবে সেন্টারে থাকতে হবে।’ যদিও তিনি পরে আরও যোগ করেন, বিয়ে পরেও হতে পারে। আগে সবার সুস্থতা জরুরি।
এদিকে বলরামপুরের এসপি দেবরঞ্জন ভার্মা জানিয়েছেন, চৌহান ও তাঁর বন্ধুরা যখন জেলায় প্রবেশ করছিলেন তখনই তাঁদের থামানো হয়েছিল। নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। ১৪ দিন পরে করোনা টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ এলে ছেড়ে দেওয়া হবে চারজনকেই।
ততদিনে বিয়ের দিন, লগ্ন, সময় পেরিয়ে বাসি। পাত্রীও অপেক্ষায় থাকবেন তো?