বিশ্বের সবচেয়ে দামী আম ‘হাকুগিন নো তাইয়ো’, একটির দাম ২৫ হাজার

০৯ মে ২০২৩, ০২:৪৯ PM , আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪৯ AM
হাকুগিন নো তাইয়ো

হাকুগিন নো তাইয়ো © সংগৃহীত

অনেকেরই প্রিয় ফল আম। বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে আমের মৌসুম। বাজারে উঠতে শুরু করেছে নানা জাতের আম। তবে চড়া দামের কারণে অনেকেই সেগুলো কেনা আপাতত এড়িয়ে চলছেন। কিন্তু আপানি কি জানেন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যববহুল আমের মূ্ল্য একটির দাম বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৫ হাজার টাকা। ঠিক কি কারণের এর মূল্য এক বেশি? 

হাকুগিন নো তাইয়ো আমের দাম কেন এত বেশি সেই গল্পই জানালেন জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের হিরোইউকি নাকাগাওয়া। ২০১১ সাল থেকে জাপানের সবচেয়ে উত্তরের দ্বীপের তুষারময় টোকাচি অঞ্চলে আম চাষ করে আসছেন নাকাগাওয়া। সেগুলি প্রতিটি ২৩০ ডলারে বিক্রি করেন।

৬২ বছর বয়সী নাকাগাওয়া জানান, আগে আমি একটি পেট্রোলিয়াম কোম্পানি চালাতাম। আমি প্রকৃতির বাইরে প্রাকৃতিক কিছু তৈরি করতে চেয়েছিলাম। তবে প্রথমে কেউ আমাকে সিরিয়াসলি নেয়নি। 

মিয়াজাকির দক্ষিণ প্রিফেকচারের আরেকজন আম চাষীর নির্দেশনায় কাজ শুরু করেন তিনি। ওই চাষীর দাবি ছিল, শীতের মাসগুলিতে ফল জন্মানো সম্ভব। আর এই প্রক্রিয়ায় নাকাগাওয়া তার খামার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তার স্টার্টআপ নোরাওয়ার্কস জাপান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের খেলা ফ্রি-তে দেখতে হলে যা যা করতে হবে

এই প্রক্রিয়ায় শীতের মাসগুলিতে আম পাকানো হয়। তখন আশেপাশে কিছু পোকামাকড় থাকে যারা আম পাকাতে সাহায্য করে। হোক্কাইডোর কম আর্দ্রতা জলবায়ুও ছাঁচ অপসারণকারী রাসায়নিকের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে। 

নাকাগাওয়া জানান তার সাফল্যে রহস্য হল দুটি প্রাকৃতিক সম্পদ। যা হচ্ছে তার মাতৃভূমি হোক্কাইডোর জন্য বিখ্যাত—তুষার এবং অনসেন উষ্ণ প্রস্রবণ। তিনি শীতের মাস থেকে তুষার সঞ্চয় করেন এবং গ্রীষ্মকালে এটি তার গ্রিনহাউসগুলিকে ঠান্ডা করতে ব্যবহার করেন, যার ফলের প্রস্ফুটিত দেরিতে হয়। তারপর শীতকালে তিনি গ্রিনহাউস গরম করার জন্য প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ ব্যবহার করেন এবং সিজন ছাড়াই প্রায় ৫ হাজার আম সংগ্রহ করেন।

তিনি আরও জানান, তিনি কখনই ভাবেননি যে টেকসই চাষের পরীক্ষায় একদিন বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম পাওয়া যাবে। কয়েক বছর পরে তিনি তার আমের ব্র্যান্ডকে হাকুগিন নো তাইয়ো হিসাবে ট্রেডমার্ক করেন, যার অনুবাদ "তুষার মধ্যে সূর্য"।

তিনি দাবি করেন যে, টেকসই পদ্ধতি হল স্বাদের জন্য একটি অতিরিক্ত বোনাস। সাধারণ আমের তুলনায় প্রায় ১৫ ডিগ্রী ব্রিক্সের উচ্চ চিনির পরিমাণ রয়েছে এবং তার ফল একটি মাখনের মতো মসৃণ টেক্সচারে স্ট্রিংনেস ছাড়াই যথেষ্ট ভালো।

নাকাগাওয়ার গ্রাহকদের মধ্যে রয়েছেন এশিয়ার সেরা মহিলা শেফ নাসতুকো সুজি। তার মতো রেস্তোরাঁর অনেক লোক রয়েছেন, যারা তাদের আমের ফুলের কেকগুলিতে ফল ব্যবহার করেন। বিদেশেও তার গ্রাহক রয়েছে এবং হংকং-এর সিটি'সুপারের মতো উচ্চমানের খুচরা বিক্রেতাদের কাছে তার আম বিদেশে পাঠানো হয়।

এরপরও নাকাগাওয়া শীতকালে চাষের আরও অপ্রত্যাশিত সুবিধা আবিষ্কার করেছে। তিনি বলেন, যেহেতু আমরা কীটনাশক ব্যবহার করি না, চা কোম্পানি লুপিসিয়া আমের চায়ে আমাদের পাতা ব্যবহার করার বিষয়ে আমার সাথে যোগাযোগ করেছে। তিনি জানান, আমের পাশাপাশি একই পদ্ধতি ব্যবহার করে অন্যান্য গ্রীষ্মমন্ডলীয় পণ্যগুলিকে শীতকালে টোকাচিকে ফল উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করার এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার লক্ষ্য রাখেন। তার পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে পীচ ফল।

তথ্য সূত্র: এনডিটিভি

বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় শক্তিশালী শান্তিরক্ষা ব্যবস্থার…
  • ১৯ মে ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৮ বিষয়ে রচিত হবে নতুন পাঠ্যপুস্তক…
  • ১৯ মে ২০২৬
অটোরিকশার ধাক্কায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, গ্রেপ্তার ১
  • ১৯ মে ২০২৬
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা ‘ট্র্যাকস্টর্…
  • ১৯ মে ২০২৬
‘জুলাইয়ের গ্রাফিতি অংকনে পুলিশ কেন বাধা দেয়’ প্রশ্ন ঢাকা কল…
  • ১৯ মে ২০২৬
রাতের মধ্যে ঢাকাসহ ৮ অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস
  • ১৮ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081