এবার ছেলের বান্ধবীকে বিয়ে করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান (ভিডিও)

রাবি
চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী ও দ্বিতীয় স্ত্রী তাহমিনা   © সংগৃহীত

সাতক্ষীরায় কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী (৫৭) এবার ছেলের বান্ধবীকে বিয়ে করেছেন। তবে শুরুতে বিষয়টি অস্বীকার করলেও বিয়ের সময়ের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরে এ ঘটনার স্বীকার করেন তিনি। 

তবে এটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর প্রথম বিয়ে নয়। এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে। দ্বিতীয় স্ত্রী তাহমিনা আক্তার মিনা (২২) মৌতলা ইউনিয়নের আব্দুল মাজেদের মেয়ে ও খুলনা বিএল কলেজের ছাত্রী। 

এদিকে কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী একই ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, চেয়ারম্যানের দ্বিতীয় স্ত্রী তাহমিনা আক্তার মিনা বর্তমানে উপজেলা পরিষদে সরকারি কোয়ার্টারে বসবাস করছেন। এ নিয়ে প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরোধ চলছে। দ্বিতীয় স্ত্রী মিনা উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর প্রথম পক্ষের সন্তান অনিক মেহেদীর বান্ধবী ছিলেন। ২০১৮ সালে তারা মৌতলা শিমুরেজা এমপি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আরও পড়ুন : একই বিষয়ে পড়াশোনা করেও টিউশন ফি ভিন্ন

উপজেলা পরিষদের সরকারি কোয়ার্টারে বসবাসরত একাধিক ব্যক্তির বরাতে জানা যায়, বিগত কয়েক মাস যাবত উপজেলা কোয়ার্টারে এক যুবতী মেয়েকে দেখতে পাওয়া যায়। একদিন রাতে ওই যুবতী মেয়েটির চিৎকার ও উপজেলা চেয়ারম্যানের গালিগালাজের আওয়াজ পাওয়া যায়। 

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী জানান, কোয়ার্টারে দ্বিতীয় স্ত্রী তাহমিনা অবস্থান করছেন। তিনি গত ৪ বছর পূর্বে তাকে বিয়ে করেছেন। 

স্ত্রীকে মারপিট ও গালিগালাজের বিষয়ে তিনি জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়েও আপনার সঙ্গে বলতে হবে নাকি, বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

চেয়ারম্যানের প্রথম স্ত্রী লাভলী পারভীন জানান, তাহমিনা তার স্বামীকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেছেন। এখন তাহমিনা উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যানের সরকারি কোয়ার্টারে অবস্থান করছেন।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী পুনরায় বিয়ে করেছেন এমন কোন কিছু আমার জানা নেই। 

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে সাতক্ষীরা শহরে এক আবাসিক হোটেলে লাবনী নামের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা হয়েছিল। 

 


x