নবীনবরণ ও ক্যাপিং সেরেমনি

নার্সরা রোগীদের আশ্রয়স্থল, বিএমইউর নার্সিং হবে দেশের রোল মডেল: উপাচার্য

০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫ PM
নবীনবরণ ও ক্যাপিং সেরেমনি

নবীনবরণ ও ক্যাপিং সেরেমনি © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএসসি ইন নার্সিংয়ের ক্যাপিং সেরেমনি ও এমএসসি ইন নার্সিংয়ের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ ব্লক’ অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এ সময় বিএসসি ১৫তম ব্যাচের ক্যাপিং সেরেমনি ও এমএসসি ৪র্থ ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কালাম ও প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, সমগ্র বিশ্বে নার্সিং অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা যে শপথ নিলেন, তা যেন তারা অন্তর দিয়ে ধারণ করে বিশ্বাসে পরিণত এবং আত্মীকরণ করেন।

তিনি বলেন, নার্সরা রোগীদের আশ্রয়ের স্থল। রোগীদের সাথে হাসিমুখে কথা বলে রোগীর সুখ-দুঃখের অনুভূতি ভাগাভাগি করে রোগীদের সেবা প্রদানই কাম্য। নার্সরা হলো হাসপাতালের প্রাণ, রোগীদের আন্তরিকতার সাথে সেবা দানের মাধ্যমে এই প্রাণস্পন্দনকে প্রতিটা মুহূর্তে অটটু রাখতে হবে। রোগীদের সেবার কাজে যেনো কোনোপ্রকার স্থবিরতা না আসে।

উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নার্সরা দেশের রোল মডেল হবে, অনুসরণীয় হবে সেটা যেমন প্রত্যাশিত, একইভাবে বাংলাদেশের নার্সরা সমগ্র বিশ্বে  ছড়িয়ে পড়বে সেটাও কাম্য।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজকে নার্সরা যে ক্যাপটা পরিধান করলেন, সেটা হল মোটিভেশনের প্রতীক। নার্সদের সঠিক সেবা ও সঠিক সময়ে সেবা দানে অনেক মুমূর্ষু রোগী বেঁচে যায় তার অনেক উদাহরণ আছে। মানবসেবা হল সবচাইতে বড় ইবাদত, নার্সিং সেবার সাথে এই কথাটি আরও বেশি বাস্তবসম্মত ও প্রাসঙ্গিক।

উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, নার্সিং পেশা একটি উঁচু মানের পেশা। রোগীর সুস্থতার অনিবার্য অংশীদার হলেন নার্সরা। বিএমইউর বর্তমান প্রশাসন মেধার মূল্যায়ন করে ৩২ হাজার নার্স থেকে ৫১৬ জন নার্সকে নিয়োগ দিয়েছে এবং বহু বছর ধরে বিদ্যমান নার্সদের গ্রেডিং সমস্যার সমাধান করেছে।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, সেবাই আমাদের ধর্ম, সেবাই আমাদের কর্ম। এ কথাটি মনে রাখলে সেবাগ্রহীতা রোগীদের নার্সিং সেবা নিয়ে তাদের যে প্রশ্ন রয়েছে, যদি কিছুটা অসন্তুষ্টির বিষয়ও থাকে তা দূর হবে।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কালাম বলেন, নার্সিং সেবা ছাড়া কোনো চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থাই চলে না। রোগীদের পাশে নার্সরাই সার্বক্ষণিক অবস্থান করেন, সেবা দেন। উন্নত নার্সিং সেবার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে সেটাই কাম্য।

প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ বলেন, রোগীদের সবচাইতে অসহায় মুহূর্তে নার্সরা রোগীদের পাশে থাকেন। রোগীদের সাথে ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে রোগীদের সেবা প্রদানকে অব্যাহত রাখতে হবে। নার্সদের দক্ষতা, সততা, মেধা ও মানবিকতা দিয়ে নার্সিং সেবাসহ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএমইউর বর্তমান নার্সদের দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনার অবসান ঘটিয়েছে এবং আগামী দিনেও নার্সিং শিক্ষা ও সেবার উন্নয়ন বিএমইউর বর্তমান প্রশাসনের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। 

সভাপতির বক্তব্যে নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান বলেন, দেশে নার্সিং শিক্ষার মান উন্নয়নে বিএমইউর নার্সিং অনুষদ কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে নার্সিং শিক্ষায় বিএসসি, এমএসসি এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। দেশের প্রয়োজনে উচ্চতর নার্সিং শিক্ষায়  ছাত্রছাত্রী ভর্তির সংখ্যা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন নার্সিং অনুষদের ডিন।

অনুষ্ঠানে গ্রাজুয়েট নার্সিং বিভাগের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক হারুন অর রশীদ গাজী, সহযোগী অধ্যাপক দেলোয়ারা বেগম, সহকারী অধ্যাপক হাছিনা আক্তার, সহকারী অধ্যাপক মোছা. নাছরিন, সহকারী অধ্যাপক নুপুর ডি কস্তা, সহকারী অধ্যাপক বিথীকা মালী, প্রভাষক নাঈমা ছিদ্দিকা, প্রভাষক টুম্পা ঘরামী, প্রভাষক জুবায়দা খাতুন, প্রভাষক বুশরা ই জান্নাত, প্রভাষক দীপিকা মজুমদার, প্রভাষক সুজন মিয়া, সেবা তত্ত্বাবধায়ক রাশিদা বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, শপথ অনুষ্ঠান, থিম সং পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

উল্লেখ্য, নার্সিং কোর্সের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা যখন প্রাথমিক পড়াশোনা ও ল্যাব ট্রেইনিং শেষ করে প্রথমবারের মতো হাসপাতালে সরাসরি রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হন, তখন ক্যাপিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এটি তাদের নার্সিং পেশায় আনুষ্ঠানিক পথচলার শুরু।

ট্রল সইতে না পেরে ব্রাজিল সমর্থকের আত্মহত্যা!
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
নায়েমে অযোগ্যদের পদায়নের অভিযোগ, যোগ্যতা নির্ধারণের প্রস্তা…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
বাকৃবির কৃষি অনুষদের ১২ শিক্ষার্থী পেলেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
যে কারণে জামায়াতকে ধন্যবাদ দিলেন রুমিন ফারহানা
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রের বিষপা…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
ব্রাজিলের হার সইতে না পেরে কুড়িগ্রামে সমর্থকের হার্ট অ্যাটাক
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence