চমেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকের সমকামিতার তথ্য প্রকাশ্যে, বয়কটের ঘোষণা

০৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৯ PM
ডা. মুবাশ্বীর আহম্মেদ শুভ্র

ডা. মুবাশ্বীর আহম্মেদ শুভ্র © সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাকে বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন অন্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. সাকিব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. জামান মো. নুর্শাদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

অভিযুক্ত ইন্টান চিকিৎসকের নাম মুবাশ্বীর আহম্মেদ মুহাক্কিক (শুভ্র)। তিনি চমেকের এমবিবিএস ৬২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তবে তিনি ৬৩তম ব্যাচের সঙ্গে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। তার গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।

ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে বলা হয়, ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. শুভ্রর এ ধরনের হীন কাজের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি তাকে ইন্টার্নশিপ থেকে বয়কটের ঘোষণা দিচ্ছি।

এতে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে এ ধরনের আরো কিছু ঘটনা সামনে আসায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সর্বস্তরের শিক্ষার্থী এবং চিকিৎসকগণ বিব্রত। কিন্তু দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাবে এদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে ডা. শুভ্রকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘সিনিয়র কর্মী’ পরিচয়ে তার সমকামিতার তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করে একটি পক্ষ। এর সূত্র ধরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শিবির সন্দেহে মেডিকেলের ছাত্রাবাসে আটকে রেখে চার শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করে ছাত্রলীগ। ওই নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুভ্রও ছিলেন। ওই নির্যাতনের ফলে দুজন শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রশিবিরের এক নেতা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেছেন, ডা. শুভ্র কখনোই শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ২০২৩ সালে একটি রুমে শিবিরকর্মীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় রুমমেট হিসেবে শুভ্রও মারধরের শিকার হয়। এর ফলে ওই ৪ জনের এমবিবিএস পিছিয়ে যায়। তারা ৬২তম ব্যাচের হলেও ৬৩তম ব্যাচের সঙ্গে এমবিবিএস সম্পন্ন করে এখন ইন্টার্নশিপ করছে। শুভ্র শিবির না করলেও ওই ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী শিবির কর্মীদের সঙ্গে ওর যোগাযোগ বাড়ে। তবে গত ২ বছর থেকে তাদের সঙ্গেও তার সম্পর্ক কমে যায়।

এদিকে ডা. শুভ্রর ‘সিনিয়র শিবিরকর্মী’ পরিচয়ের অংশ হিসেবে একটি ‍‘কুরআন সেশন’ প্রোগ্রামের আহ্বানে অপর শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠানো তার হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশট সামনে এসেছে। এ প্রসঙ্গে ওই শিবির নেতা বলেন, স্ক্রিনশটে যে প্রোগ্রামের কথা বলা হয়েছে, এটি শিবিরের তো নয়ই— অন্য কোনো রাজনৈতিক বা ইসলামী সংগঠনেরও নয়। ৫৭ অথবা ৫৮তম ব্যাচের এক ভাই এরকম একটি সেশন নিয়ে থাকেন, ওনার প্রোগ্রামের দাওয়াত এটি।

এ বিষয়ে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ওই শিবির নেতা।

শাবিপ্রবির অধিভুক্ত কলেজে ৫০ শতাংশই ফেইল, জিপিএ ৫ একজনের
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ২০তম শিক্ষক উন্নয়ন স…
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
নিজেরা চাঁদা তুলে খেলার মাঠের জন্য ৬০ শতাংশ জমি কিনলেন গ্রা…
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
আইইউবি’র ‘ইনোভেশন টু ইমপ্যাক্ট’ প্রতিযোগিতার ইনকিউবেশন পর্ব…
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
রাজধানীতে ছয় রুটে আজ থেকে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
বাবার মৃত্যুর পর বন্ধ হতে বসেছিল পড়ালেখা, পুরো উপজেলায় একমা…
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬