সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ

ক্লিনিক্যাল ক্লাসে যেতে হয় ১৫ থেকে ৫৫ কিমি দূর, শিক্ষকশূন্যতা তীব্র

দুই সপ্তাহের আন্দোলনে স্থবির

০২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৮ PM , আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৯ PM
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ পাঁচ বছরেও সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যার হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হয়নি। ক্লিনিক্যাল ক্লাসের জন্য শিক্ষার্থীদের যেতে হচ্ছে ১৫ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর হাসপাতাল ও ৫৫ কিলোমিটার দূরে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এর মধ্যে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা প্রতিষ্ঠানটির তীব্র শিক্ষক সংকট। এমনকি প্রায় সময় কোনো কোনো বিভাগ থাকে একেবারে শিক্ষকশূন্য। এ নিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে রয়েছেন মেডিকেল কলেজটির শিক্ষার্থীরা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হাওর এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং চিকিৎসা শিক্ষার প্রসারে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নামে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ হাজার ১০৭ কোটি ৮৭ লাখ ৯৮ হাজার টাকার এই প্রকল্পের অনুমোদন দেন।

অনুমোদন ও জমি অধিগ্রহণের পর প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়। তবে স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রস্তুত হওয়ার আগেই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হাসপাতাল ভবনে অস্থায়ীভাবে এই মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। মূল অবকাঠামোর নির্মাণকাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন এবং শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রায় দুই বছর পর ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার মদনপুর এলাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের পাশে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৫০০ শয্যার মূল হাসপাতাল ভবনসহ বড় বড় অবকাঠামোর নির্মাণকাজ শেষ হলেও চিকিৎসা সরঞ্জাম (ইকুইপমেন্ট) কেনাকাটায় জটিলতা, জনবল সংকট এবং প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে এখনও হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি, যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষক স্বল্পতা দূর করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ছয়জনের চিকিৎসকের অর্ডার হয়েছে, তারা এখানে জয়েন করলে আমার মনে হয় কোন ডিপার্টমেন্টে আসলে শূন্য থাকবে না— অধ্যাপক ডা. মোস্তাক আহম্মদ ভূঁইয়া, অধ্যক্ষ, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ

মেডিকেলের কারিকুলাম অনুযায়ী, তৃতীয় বর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল ক্লাস শুরু হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এমবিবিএস বা বিডিএস কোর্স সম্পন্ন হওয়ার পর আরও এক বছর বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ করার কথা। তবে মেডিকেল কলেজটির হাসপাতাল চালু না হওয়ায় ক্লিনিক্যাল ক্লাসের জন্য তৃতীয় থেকে পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যেতে হয় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে, যার দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। এ ছাড়া পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে দুদিন সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়, যার দূরত্ব প্রায় ৫৫ কিলোমিটার। পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের এই দীর্ঘ যাত্রা অন্তত ৮ মাস চলে। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাচের এমবিবিএসের চূড়ান্ত প্রফ পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ায় ইন্টার্নশিপ শুরু হয়নি।

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের আরেকটি বড় সংকট শিক্ষক শূন্যতা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মোট ৯৪টি শিক্ষক পদের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৫২ জন। এ হিসেবে প্রায় অর্ধেক পদই শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটের এই চিত্র সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যাপক পর্যায়ে; ১১টি অনুমোদিত অধ্যাপক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ২ জন, যার একজন স্বয়ং কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাক আহম্মদ ভূঁইয়া। এছাড়া সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকদের অধিকাংশ পদও দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে আছে। এমনকি গাইনি, অর্থোপেডিক্স এবং অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগ শিক্ষকশূন্য বলেও জানা গেছে।

দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
তীব্র শিক্ষক সংকট নিরসন ও হাসপাতাল চালুর দাবিতে গত ২১ জুন সড়কে নেমে আন্দোলন শুরু করেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। তারা সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধও করেছেন। এমনকি বৃহস্পতিবারও শিক্ষকদের তালাবদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে বুধবার জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।

May be an image of one or more people and text that says '930-2 কাজ্্ী শক্ষিকত 1001茶 RIOS সেন্ট্রাল ফা্মেস্া আামদে r माश्থ শিক্কা আশ্রাযর ট্রাফিক পয়েস্ট সনামগ্ঞ আস্বাস តមា তাবি যংসকার, বচর বাস্তবামন আমাদের আবির হায়পাতাল হাযপাত ফপাতনদ શস્રপতল 6r দরকার চাই এইব চলমচাই চলু একাডেমিক र বাস্তবায়নে গড়িমসি কার্যক্রম যথায়থভাবে f 3 অবহেলার প্রতিবাদ f'
গত ২১ জুন হাসপাতাল চালুর দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হলেও এখনো হাসপাতাল ভবন চালু হয়নি। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় নিয়মিত পাঠদান, ক্লিনিক্যাল শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

তারা জানান, ২০২৫ সালের ১৫ এপ্রিল হাসপাতাল দ্রুত চালুর দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও হাসপাতাল চালুর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সর্বশেষ টানা ১০-১২ দিন আন্দোলন চালিয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট রোডম্যাপ বা পরিকল্পনা জানানো হয়নি।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, মেডিকেল শিক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো হাসপাতালভিত্তিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষা। বর্তমানে কলেজে ছয়টি ব্যাচের শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত থাকলেও হাসপাতাল চালু না থাকায় তারা রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে দক্ষ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষক সংকটের কারণে একাডেমিক ক্লাস, ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণও ব্যাহত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের চলমান অস্থিরতা নিরসনে গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাক আহম্মদ ভূঁইয়া ও প্রকল্প পরিচালক ডা. কামরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অধ্যক্ষ কলেজের বিদ্যমান সমস্যা, শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমের সার্বিক অবস্থা উপস্থাপন করেন। প্রকল্প পরিচালক ডা. কামরুজ্জামান হাসপাতাল ভবনের বর্তমান অগ্রগতি, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি এবং হাসপাতাল চালুর ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরেন। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং তাদের দাবি বাস্তবায়নে কলেজ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইতোমধ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং আন্দোলন চলাকালীন সময়ে মন্ত্রণালয়ের ধারাবাহিক সহযোগিতার বিষয়টি সভায় অবহিত করা হয়।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ইস্যুটা যৌক্তিক। তবে মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ওখানে শিক্ষক পদায়ন শুরু করেছে। আর আশা করি ওখানে দ্রুত পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে। পরিচালক নিয়োগ দিলে আমরা মনে করছি যে হাসপাতাল চালু করতে আরও প্রায় এক মাস লাগবে— অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা), স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর

সূত্র বলছে, বুধবারের সভায় ৬টি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে— কলেজের শিক্ষক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় শিক্ষক পদায়নের আদেশ আজকের (বুধবার) মধ্যেই জারি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, হাসপাতালের জন্য একজন পরিচালক নিয়োগের আদেশ ১ বা ২ কর্মদিবসের মধ্যে জারি করা হবে, কলেজের জন্য আরও একটি বাস অনুমোদনের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, হাসপাতালের সীমিত পরিসরে বহির্বিভাগ আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে চালু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে, আগামী অক্টোবর থেকে মেডিসিন অন্তবিভাগ এবং ডিসেম্বর মাসের মধ্যে হাসপাতালের অন্তর্বিভাগ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রশাসনিক ও কারিগরি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে এবং হাসপাতালের জনবল সৃষ্টি ও পদায়নের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখভাল করবে ও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

May be an image of crowd
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল হয়ে পড়ে সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়ক

এদিকে জরুরি বৈঠকের পর সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে আরও ৬ জন সহকারী অধ্যাপক পদায়ন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে বুধবার এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোকে ‘প্রহসনমূলক’ আখ্যা দেন শিক্ষার্থীরা। ওই বিবৃতিতে তারা আরও ৬টি দাবি পেশ করেন। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে— দুই কর্মদিবসের মধ্যে হাসপাতালের ডিরেক্টর নিয়োগ, এক সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ জনবল নিয়োগ, তিন সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতালের আউটডোর চালু, ছয় সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু, তিন কর্মদিবসের মধ্যে সকল বিভাগের শিক্ষক সংকট দূর করে পদায়ন নিশ্চিত এবং এই রোডম্যাপ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে স্বশরীরে পেশ করার সুযোগ দিতে হবে ও তার কাছ থেকে এই ব্যাপারে লিখিত নির্দেশনা প্রদান করতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী থেকে লিখিত নির্দেশনা পাওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাক আহম্মদ ভূঁইয়া দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষক স্বল্পতা দূর করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ছয়জনের চিকিৎসকের অর্ডার হয়েছে, তারা এখানে জয়েন করলে আমার মনে হয় কোন ডিপার্টমেন্টে আসলে শূন্য থাকবে না।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা হাসপাতাল চালুর যে রোডম্যাপ চেয়েছে, সেটা দেওয়া হয়েছে। প্রথমেই হচ্ছে পরিচালক নিয়োগ। এটি আজকালের মধ্যেই হয়ে যাবে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এরপর দেড় মাসের মধ্যে সীমিত আকারে আউটডোর চালু করার ব্যবস্থা করবে। পরে অক্টোবর থেকে মেডিসিন ওয়ার্ডের ইনডোর চালু করার সম্ভাবনা আছে। আর ডিসেম্বরের মধ্যে সবগুলো ইনডোর চালু করার জন্য মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৫ সালের ১৫ এপ্রিল হাসপাতাল দ্রুত চালুর দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও হাসপাতাল চালুর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সর্বশেষ টানা ১০-১২ দিন আন্দোলন চালিয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট রোডম্যাপ বা পরিকল্পনা জানানো হয়নি— স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে জানতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমিন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ইস্যুটা যৌক্তিক। তবে মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ওখানে শিক্ষক পদায়ন শুরু করেছে। আর আশা করি ওখানে দ্রুত পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে। পরিচালক নিয়োগ দিলে আমরা মনে করছি যে হাসপাতাল চালু করতে আরও প্রায় এক মাস লাগবে।

তিনি বলেন, এর আগে বেশ কিছু জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া হাসপাতালের বেশ কিছু ফার্নিচারও রয়েছে। প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট ক্রয় করতে হবে।

নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল নেতা, দল থেকে বহিষ্কার
  • ০২ জুলাই ২০২৬
পলিটেকনিক সভাপতির সাথে সাথে সদস্যপদ মুলতবি হয়েছে মহানগর শিব…
  • ০২ জুলাই ২০২৬
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে আকিজ ইলেকট্রনিকস, পদ ৪০, আবেদ…
  • ০২ জুলাই ২০২৬
তিন দিনব্যাপী ‘সিইউবি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশন্স’ সম্পন্ন
  • ০২ জুলাই ২০২৬
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল স্বামীর, স্ত্রী হাসপাতালে
  • ০২ জুলাই ২০২৬
ক্লিনিক্যাল ক্লাসে যেতে হয় ১৫ থেকে ৫৫ কিমি দূর, শিক্ষকশূন্য…
  • ০২ জুলাই ২০২৬