সালমান শাহ হত্যা

এবারও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ পুলিশ

০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৪৫ PM
সালমান শাহ

সালমান শাহ © সংগৃহীত

চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানার মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামীরা হক ও  খলনায়ক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ১৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

আজ রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন। এদিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার আদালতে কোনো প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য আদালত প্রতিবেদন দাখিলে নতুন দিন ধার্য করেন। 

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সামীরা হকের মা লতিফা হক লুছি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু, রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

আরও পড়ুন : সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে তিন ক্যাপ্টেনের মামলা

এর আগে গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। এই নির্দেশের পর ওইদিন মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই সময় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা করেন সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করা হয়। এ বিষয়ে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে আত্মহত্যা বলা হয়। পরে ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। তবে প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠান আদালত।

দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক।

আরও পড়ুন : শিশু সাবা হত্যায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না: অ্যাটর্নি জেনারেল 

ওই প্রতিবেদনেও সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু বলা হয়। কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর ছেলে হত্যা মামলার বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন মা নীলা চৌধুরী। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন। সর্বশেষ মামলাটি পিবিআই তদন্ত করে। ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন। ২০২২ সালের ১২ জুন এই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের হয়।

ট্রাক চালককে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ…
  • ০৬ মার্চ ২০২৬
রাঙামাটিতে এনসিপির সাত নেতার পদত্যাগ
  • ০৬ মার্চ ২০২৬
গণধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে নিরাপত্তা দেওয়ায় গবিসাস কার্যালয়ে …
  • ০৬ মার্চ ২০২৬
রানবন্যার ম্যাচে বেথেলের সেঞ্চুরিও ব্যর্থ, ইংল্যান্ডকে উড়িয়…
  • ০৬ মার্চ ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অপহরণ, ৯৭ হাজার টাকা লুট
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
দুই সপ্তাহ পরও দেওয়া হয়নি ‘ধর্ষণকাণ্ডের’ মেডিকেল রিপোর্ট, ন…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬