সান্ধ্যকালীন কোর্স

আমরা না পড়ালে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে শিক্ষার্থীরা?

০৭ নভেম্বর ২০১৮, ১১:০৩ AM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ © টিডিসি ফটো

সম্প্রতি দেশের প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতির নানা প্রসঙ্গ নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মিলিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক। রাজু আলীমের নেওয়া সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস’র পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো


প্রশ্ন : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা রেগুলার এমবিএ করছেন আর যারা সান্ধ্যকালীন এমবিএ করছেন। এদের চাকরি ক্ষেত্রে আলাদা করে দেখা হয়?

অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক : এটা অতটা পার্থক্য হয় না বলে মনে করি। কোয়ালিটিতে কিছু পার্থক্য থাকবেই। চার বছরে বিবিএ’র গ্রুমিং আর যারা সান্ধ্যকালীন আসছেন তাদের গ্রুমিংয়ে পার্থক্য আছে। তবে কোয়ালিটির দিক দিয়ে আমরা খুব একটা কম্প্রোমাইজ করি না। সমালোচনার স্বার্থে সমালোচনা করা হয়; কিন্তু কোয়ালিটি ইজ অলওয়েজ গুড। আমরা ম্যাক্সিমাম অ্যাফোর্ড দিচ্ছি। আমরা যদি এদের না পড়াই, তবে তারা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

প্রশ্ন : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ফ্যাকাল্টি অনেক আধুনিকায়ন করা হয়েছে এবং সমসাময়িক অনেক সাবজেক্ট এসেছে। এসব বিষয়ের প্রয়োজনীয়তা?

অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক : বিজনেস ফ্যাকাল্টিতে যে নতুন ডিপার্টমেন্টগুলো এসেছে; আমরা চেষ্টা করেছি কর্পোরেটের সাথে সম্পর্ক করে তারপরে তাদের ডিমান্ড অ্যাসেসমেন্ট করে তৈরি করা। সেভাবেই আইবিএ এবং ওএসএল এবং ট্যুরিজম এসেছে। ট্যুরিজমের অনেক চাহিদা তৈরি হয়েছে। সেজন্য এ বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

প্রশ্ন : অ্যাকাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগও মর্ডানাইজ হয়েছেন। এ বিষয়ে বলুন।

অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক : অনেকে বলেন, অ্যাকাউন্টিং বলে এখন আর কোনো বিষয়ের দরকার নেই।

প্রশ্ন : সবকিছু সফটওয়্যার বেইজড হয়ে গেছে?

অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক : হ্যাঁ, তবে এটি সত্যি কথা, এটি টেকনিক্যাল নলেজ। এটা দিয়েই ব্যবসা শুরু। দে আর ক্রিয়েটিং দ্যা মিনিং অব নাম্বারস। প্রফিট কীভাবে আসছে, কোথা থেকে আসছে?

অ্যাকাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক।

 

প্রশ্ন : হিসাব করে বের করতে হবে?

অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক : অবশ্যই। হিসাব করে বের করতে হবে। সেটাকে বোঝাবার জন্য আমরা অ্যাকাউন্টিং পড়াচ্ছি। অ্যাকাউন্টিংয়ের দরকার বলছে সবাই।দিনে দিনে এর চাহিদাও বাড়ছে। আমাদের আরেকটা প্রোগ্রাম আছে, মাস্টার্স অব প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং। যেটা সারাবিশ্বেই খুব নামকরা প্রোগ্রাম। ওইভাবেই আমরা সিলেবাস করেছি এবং সেভাবেই পড়াচ্ছি। আর ভালো রেজাল্টও পাচ্ছি।

প্রশ্ন : আপনারা আন্তর্জাতিক একটি কনফারেন্স করছেন সম্প্রতি। এ সম্পর্কে জানতে চাই?

অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক : স্টুডেন্টদের পোস্টার প্রদর্শনী হবে। এমফিল, পিএইচডি এবং বিবিএ- এরা পোস্টার প্রেজেন্টেশন করতে যাচ্ছে এবং শিক্ষকরা তো থাকবেনই। বিদেশের স্কলার আছেন। বিদেশি স্কলারদের সাথে আমাদের ইন্টার অ্যাকশন হবে। আমরা পেপার প্রেজেন্ট করব, সেখানে বাইরের স্কলাররা কমেন্ট করবেন। এভাবেই আমাদের পেপার সমৃদ্ধ হবে।

মানবিক ডাক্তারের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, যুবদল নেতার ৪ সহযোগী …
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
চমক রেখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দল ঘোষণা বাংলাদেশের
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
মোহাম্মদপুরে এলেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যার সিসিটিভি ফুটেজ ভাইর…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরীর বাল্যবিবাহের অনুষ্ঠান বন্ধ করল প্রশাসন
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ট্রলারডুবি: দুই শতাধিক যাত্রী নিখোঁ…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীতে ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৩ কারবারি গ্রেফতার
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬