ভার্চুয়াল বৈঠকে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী © সংগৃহীত
মালদ্বীপে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের আশঙ্কাজনক হারে অল্প বয়সে মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। এ পরিস্থিতিতে মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধান ও সমাধানে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)। আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর সাথে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলামের এক ভার্চ্যুয়াল সভায় এসব আলোচনা হয়।
বৈঠকে হাইকমিশনার জানান, সম্প্রতি মালদ্বীপে বাংলাদেশি তরুণ ও অল্প বয়সী প্রবাসীদের অকাল মৃত্যুর ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এ বিষয়ে বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী সমস্যার কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি জানান, উভয় দেশের সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে স্পষ্ট তথ্য-উপাত্ত ও আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাওয়া গেলে বিএমইউর বিশেষজ্ঞ দল এ অকাল মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় গবেষণা ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সভায় প্রবাসীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতের শিক্ষা ও একাডেমিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। মালদ্বীপের চিকিৎসকরা বিএমইউ থেকে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে তারা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত জানাবে।
উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন, চীন ও ভারতের মতো মালদ্বীপের সাথেও বিএমইউর একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা, উচ্চতর চিকিৎসা গবেষণা ও পারস্পরিক একাডেমিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে।
ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে বিএমইউর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি এবং মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।