গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী © সংগৃহীত
চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীনদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দগ্ধ রোগীদের দেখতে এসে এ আশ্বাস দেন তিনি। বিস্ফোরণে চিকিৎসারতদের সবাই ৩০ শতাংশের ওপরে দগ্ধ হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। যত ধরনের মেডিসিন আছে সব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে। বাকি আরও কিছু লাগলে আমরা আশ্বস্ত করেছি, আমরা সেটা যোগান দেব। তবে আগুনে পোড়া মানুষের অনেক কষ্ট হয়। আমরা চেষ্টা করছি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব। সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ যেন সবাইকে রক্ষা করেন।
এ সময় উপস্থিত থেকে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আমাদের দেশে তিন ধরনের দুর্যোগ ঘটে। তাদের মধ্যে একটি মানব সৃষ্ট দুর্যোগ। আমরা আলোচনা করে দেখেছি এই গ্যাস লিকেজ থেকে সারা বছরই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটছে। গতকাল চট্টগ্রামের ঘটেছে, এবং আজ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এ রকম ঘটনা ঘটেছে। দুর্যোগ, শিল্প ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তিন মন্ত্রণালয় এ বিষয় নিয়ে কাজ করব।
তিনি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। এটা কিভাবে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা যায় সেগুলো অল্প সময়ের ভিতরে তিন মন্ত্রণালয় বসে কাজ করব। যাতে করে ভবিষ্যতে এ রকম দুর্ঘটনায় কোনো ক্ষতি না হয়। আর আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যতটুকু সাপোর্ট দরকার আমরা সেই সাপোর্ট দেব। এটা খুবই মর্মান্তিক শিশু মহিলারা আক্রান্ত হয়েছে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, গতকাল চট্টগ্রাম থেকে ৯ জন রোগী হাসপাতালে এসেছে। এদের মধ্যে একজন জরুরি বিভাগে মারা গেছেন। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাওন নামের একজন মারা গেছে। বর্তমানে ৭ জন রোগী ভর্তি আছে। এদের সর্বনিম্ন ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সবার অবস্থা আশংকাজনক। আমাদের চিকিৎসকরা সর্বচ্চো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, চট্রগামের এই ঘটনা আমরা আগে থেকে জানতে পেরেছিলাম। চিকিৎসার সবাই প্রস্তুত ছিল। এরমধ্যে এবিষয় নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে অনেকবার যোগাযোগ করে স্থানীয় এমপি মহোদয় যোগাযোগ করেন। সন্ধ্যার দিকে রোগীগুলো হাসপাতালে আসে। একজন মৃত ছিল। বাকিগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটগরিতে ভাগ করে দেই। কাউকে আইসিইউতে, এইচডিইউতে শিফট করে দেই।