স্ট্রাইকিং ফোর্স নয়, এবার নির্বাচন প্রাঙ্গণে থাকবে সেনাবাহিনী, সংখ্যা বেড়েছে ৬০ হাজার

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২৬ PM , আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২৮ PM
 ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন © সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সারাদেশে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবারই প্রথম সেনাবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহল দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে সংখ্যাও। এবার অতিরিক্ত ৬০ হাজার সেনাসদস্য নির্বাচনে মোতায়েন থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন এই তথ্য জানান।

সেনাসদরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২০ জানুয়ারি থেকেই সেনাবাহিনীর এই বিশেষ মোতায়েন কার্যকর করা হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবার সেনাসদস্যের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তাঁরা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রে যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে কাজ করবেন।

আগের নির্বাচনের তুলনায় এবার কেন বেশি সদস্য মোতায়েন করা হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, 'আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিল না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি। এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনাসদস্যদের রেখে বাকি সব সেনাসদস্যকে নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য।'

সেনাবাহিনীর টহল কার্যক্রম জোরদার করতে যানবাহনের সংকটের বিষয়টিও সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'যে কারণে আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামারিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুইজিশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনাসদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেনাসদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন, শুধুমাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য।'

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার (ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার) আওতায় সেনাবাহিনী কাজ করছে। ভোটাররা যাতে ভয়ভীতিহীন পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ্য।

​উচ্চ রক্তচাপ সচেতনতায় ঢাবিতে লিপিড সোসাইটির ‘অ্যাওয়ারনেস র…
  • ১৫ মে ২০২৬
কোরবানির ঈদে ৯ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল…
  • ১৫ মে ২০২৬
আওয়ামী মন্ত্রীর জানাজায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গ্রেফতার ১৯ 
  • ১৫ মে ২০২৬
মশার উপদ্রবে ডিআইইউ ক্যাম্পাস যেন এক ‘রক্তদান কেন্দ্র’
  • ১৫ মে ২০২৬
শাহবাগে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ‘জুতার মালা’, সরিয়ে দিল জনতা 
  • ১৫ মে ২০২৬
যশোরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নম্বর-প্রশংসাপত্র প্রদানের নামে বাণ…
  • ১৫ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081