আইসিটি মন্ত্রণালয় ও সরকারের লোগো © টিডিসি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের জাতীয় ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন ও আইডি কার্ড কার্যক্রমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা প্রথমবারের মতো একটি সরকারি স্বীকৃত ডিজিটাল পরিচয়পত্র বা ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
এর মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা, সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সহজে লাভ করতে পারবেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আরেকটি যুগান্তকারী মাইলফলক অর্জিত হলো। দেশের প্রথম জাতীয় ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন ও আইডি কার্ড কার্যক্রমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম freelancers.gov.bd-এর ভালনারেবিলিটি এসেসমেন্ট এন্ড পেনেট্রেশণ টেস্টিং সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্ল্যাটফর্মটির নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হবে।
আরও পড়ুন: বিএনপির দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, কোপে বিচ্ছিন্ন এক কর্মীর নাক
এতে সুখবর জানিয়ে বলা হয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর -এর উদ্যোগে বাস্তবায়িত এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা প্রথমবারের মতো একটি সরকারি স্বীকৃত ডিজিটাল পরিচয়পত্র পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই আইডি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা, সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সহজে লাভ করতে পারবেন। একইসাথে এটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করবে।
তথ্য মন্ত্রণালয় বলছে, freelancers.gov.bd প্ল্যাটফর্মটি একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডাটাবেইস হিসেবেও কাজ করবে, যেখানে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা, দক্ষতা, কাজের ধরন ও বাজার প্রবণতা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত ও হালনাগাদ থাকবে। এই তথ্য নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তাছাড়া, উদ্যোগটির মাধ্যমে ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সারদের সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তরুণ সমাজের আত্মকর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এটি একটি কৌশলগত জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।