কঙ্গো-ইংল্যান্ড ম্যাচ © সংগৃহীত
প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ১–০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে গেছে ডিআর কঙ্গো। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় আফ্রিকার দলটি, আর সেই এক গোলেই এগিয়ে থেকে প্রথম ৪৫ মিনিট শেষ করে তারা।
শুরুতে গোল হজম করার পর থেকেই সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহাম ও ননি মাদুয়েকেদের একের পর এক আক্রমণে কঙ্গোর রক্ষণ ব্যস্ত থাকলেও গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসিকে পরাস্ত করতে পারেনি থ্রি লায়নস।
অন্যদিকে, পাল্টা আক্রমণেও দারুণ ধার দেখিয়েছে ডিআর কঙ্গো। একপর্যায়ে ইয়োয়ানে উইসার শট পোস্টে লেগে ফিরে না এলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে একাধিকবার বিপাকে ফেলে আফ্রিকার দলটি বুঝিয়ে দিয়েছে তারা শুধু রক্ষণ সামলাতেই মাঠে নামেনি।
এখন শেষ ৪৫ মিনিটে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে ইংল্যান্ডের সামনে। আর ডিআর কঙ্গো এই লিড ধরে রাখতে পারলে বিশ্বকাপে বড় এক অঘটনের জন্ম দেবে।