রিয়াল মাদ্রিদ দল © সংগৃহীত
টানা ব্যর্থতা আর সমর্থকদের দুয়ো উপেক্ষা করে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। মঙ্গলবার রাতে সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে মোনাকোকে ৬-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে আলভারো আরবেলোয়ার দল। এই জয়ে ৭ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল টুর্নামেন্টের রেকর্ড চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচে রিয়ালের হয়ে জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। এছাড়া জালের দেখা পেয়েছেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো, জুড বেলিংহ্যাম এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অপর গোলটি আসে আত্মঘাতী খাত থেকে। মোনাকোর হয়ে একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন জর্ডান টেজে। ম্যাচের অধিকাংশ সময় দাপট দেখালেও গোলমুখে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে ২০ নম্বরে নেমে গেছে ফরাসি ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রিয়াল। পঞ্চম মিনিটেই ফেদেরিকো ভালভের্দের পাসে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপে। ২৬ মিনিটে ভিনিসিউসের সহায়তায় নিজের দ্বিতীয় ও দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। এই গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরে সর্বোচ্চ ১১ গোল করে তালিকার শীর্ষে উঠলেন তিনি।
বিরতির পর ৫১ মিনিটে ভিনিসিউসের পাস থেকে ব্যবধান ৩-০ করেন আর্জেন্টাইন তরুণ ফরোয়ার্ড মাস্তানতুয়োনো। এর তিন মিনিট পর ভিনিসয়ুসের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান জার্মান ডিফেন্ডার টিলো কেহরাহ। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে প্রতিপক্ষের থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত এক বুলেট গতির শটে স্কোরশিটে নিজের নাম লেখান ভিনিসিউস জুনিয়র।
খেলার ৭২ মিনিটে রক্ষণের ভুলে জর্ডান টেজের গোলে মোনাকো এক গোল শোধ করলেও ৮০ মিনিটে বেলিংহ্যামের গোলে বড় জয় নিশ্চিত হয় রিয়ালের। পুরো ম্যাচে ২৫টি শট নিয়ে রিয়াল ছয়টি গোল আদায় করে নিলেও মোনাকো তাদের ২০টি শটের বিপরীতে মাত্র একটি গোল করতে সক্ষম হয়। এক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।
উল্লেখ্য, স্প্যানিশ সুপার কাপ এবং কোপা দেল রে থেকে ছিটকে যাওয়ার পর এই জয়টি রিয়ালের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সবশেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হেরেছিল তারা।