বশেমুরবিপ্রবি

টিকা নেননি অর্ধেক শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় খোলা নিয়ে যা বললেন ভিসি

উপাচার্য অধ্যাপক ড. একিউএম মাহবুব

উপাচার্য অধ্যাপক ড. একিউএম মাহবুব © ফাইল ফটো

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রায় ১৮ মাস পর সম্প্রতি খুলে দেয়া হয়েছে স্কুল এবং কলেজসমূহ। এছাড়া আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের পর বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ খুলে দেয়ারও অনুমতি দেয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় হল খুলে দেয়াসহ সশরীরে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার তারিখ ঘোষণা করেছে।

তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি)। এ বিষয়ে বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. একিউএম মাহবুব বলেন, আমাদের বর্তমানে সশরীরে চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। হল খোলাসহ স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে আমরা এখনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। কারণ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হলে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আওতায় আসতে হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ভ্যাকসিন গ্রহণের বিষয়ে যে তথ্য সংগ্রহ করছি সেখানে দেখতে পেয়েছি এখনও ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীও ভ্যাকসিন গ্রহণ করেনি।

তিনি আরও বলেন, যেসকল বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার তারিখ ঘোষণা করেছে ইতোমধ্যে তাদের অধিকাংশ শিক্ষার্থী টিকার আওতায় চলে এসেছে। আমাদের শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসলে আমরাও এধরনের কোনো তারিখ ঘোষণা করতে পারতাম৷ কিন্তু আমরা এক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য টিকা গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমেই তারা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারছে। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য আমার নির্দেশনা থাকবে তারা যাতে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে টিকা গ্রহণ করে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভ্যাকসিনের আওতায় আসেননি প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী। ১ম ডোজ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৪২৩ জন যা মোট শিক্ষার্থীর ৪৬.৪৮ শতাংশ। দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৫ জন যা মোট শিক্ষার্থীর ৯.৬২ শতাংশ। তবে এখন পর্যন্ত সুরক্ষা অ্যাপে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রায় ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ভ্যাকসিনের জন্য রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন।

এছাড়া, রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে সম্প্রতি ২২টি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, ১ম ডোজের ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন ১ হাজার ২৯৬ জন যা চতুর্থ বর্ষে অধ্যায়নরত মোট শিক্ষার্থীর ৭৪.৫ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন ৪৪৯ জন যা মোট শিক্ষার্থীর ২৫.৮২ শতাংশ এবং সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন ১ হাজার ৭৩৯ জন যা মোট শিক্ষার্থীর ৯৪.৩০ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সশরীরে চতুর্থ বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

আনন্দ-সম্প্রীতির নববর্ষ
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকৌশলীকে লাঠি হাতে…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
এক মুরগি তিনবার জবাই করা চলবে না, শিক্ষামন্ত্রী
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নৌবাহিনীতে বেসামরিক পদে নিয়োগে বড় বিজ্ঞপ্তি, পদ ১১০, আবেদন …
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে ছাত্ররা আবার ঐক্যবদ্ধ হবে
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
অনলাইন জুয়ায় আসক্তি, রাজধানীতে ভবন থেকে লাফিয়ে ‘আত্মহত্যা’ …
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬