যবিপ্রবির বাস © টিডিসি ফটো
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বিআরটিসি বাস-চালকসহ হেলপারকে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে পাঁচটায় যশোর জেলার নিউ মার্কেট গোলচত্বর মোড়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাস-চালক খায়রুজ্জামান বাদী হয়ে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় অজ্ঞাত ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিআরটিসি গাড়ীর চালক মল্লিক খায়রুজ্জামান ও হেলপার মোঃ রনি মিয়া শনিবার ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ থেকে ৩৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রীদের নিয়ে অনুমানিক ০৫ টা ৩৫ মিনিট এ যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন নিউ মার্কেট (খাজুরা বাসস্ট্যান্ড) গোলচত্বর মোড় হতে মনিহার সিনেমা হলের দিকে যাওয়ার পথে অপর দিক থেকে আসা যশোর-মাগুরা মহাসড়কে চলাচলকৃত বাস, যার রেজিঃ নং-২৭৯৬ এর যাওয়াকে কেন্দ্র করে হেলপার মোঃ রনি মিয়ার সাথে তর্ক-বিতর্ক হয়।
তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে ১৪ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি বিআরটিসি বাসের মধ্যে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে হামলা করে। একপর্যায়ে আসামীরা মল্লিক খায়রুজ্জামানকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা, কানে, মুখে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে মারাত্মকভাবে জখম করে এবং হেলপার রনি মিয়াকে মারপিট করে বাসের ভিতর থেকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দিয়ে জখম করে। তখন বাসের মধ্যে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সিনিয়র টেকনিশিয়ান আবির হোসেন, ট্রান্সপোর্টের ফরম্যান শুভংকার রায়, কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আজগার আলীসহ একজন নারী ছাত্রীকে মারপিট ঠেকাতে গেলে অভিযুক্তরা মারপিট করে মারাত্মক জখম করে। তাদের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে বাসের লুকিং গ্লাস ভেঙ্গে ফেলে এবং দরজা, জানালাসহ বাসের বিভিন্ন অংশ ভাংচুর করে অনুমানিক বিশ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। একপর্যায়ে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা খুন জখমের হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়।